ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

আজ একটি পোষ্ট দিয়েছিলাম “ছাত্রলীগের রক্ত ও মূত্র পরীক্ষা কর্মসূচী” শিরোনামে।

যে পোস্টটি দিয়েছি সেটির খবর পত্রিকাতেও এসেছিল। কর্মসূচিটি ছিল ছাত্রলীগের জন্য মাদকহীন নেতৃত্ব খোঁজার পরীক্ষা। পোষ্টে আমি এভাবে বলেছি, “যে সংগঠনের কর্মীদের রক্ত পরীক্ষায় পাস করে নেতৃত্বের যোগ্যতা অর্জন করতে হয়, সে সংগঠন তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত অধঃপতনের কোন স্তরে গিয়ে পৌঁছেছে তা ভেবে দেখা দরকার।” অর্থাৎ একটি ছাত্র সংগঠনে মাদকাসক্ত লোকের পরিমাণ কত বেড়ে গেলে পরীক্ষা করে নেতৃত্ব বের করতে হয়, তা চিন্তা করা যায়? মন্ত্রী নিজে কনফার্ম ছিলেন তাদের ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অধিকাংশ মাদকাসক্ত। তাই তিনি মূত্র পরীক্ষা করে মাদকহীন নেতা বাছাই করতে চেয়েছেন। কোন একটি ছাত্রসংগঠনের জন্য এটি গৌরবের নয়, অপমানের। আমি এ বিষয়টি তুলে ধরতে চেয়েছি।

গত আড়াই বছরে ছাত্রলীগ যে হারে সারাদেশে ধর্ষন, লুটপাট, হত্যা, ইভটিজিং সহ অন্যান্য অনাচার চালিয়ে যাচ্ছে তার প্রতিবাদ দেশের সকল সচেতন ও বিবেকবান মানুষ জানাচ্ছে। আমার পোস্টটি সে প্রতিবাদের অংশ। তবে যারা নিজেরা মদখোর ও ধর্ষক তাদের এ ধরনের প্রতিবাদ খারাপ লাগার কথা । যারা ছাত্রলীগের ধর্ষন, ইভটিজিং, ধর্ষন করে সে ভিডিও বাজারে ছাড়া, নারী ও শিক্ষিকাদের লাঞ্ছিত করাকে সমর্থন করে বা নিজেরা তা করে শুধু তারাই এসব প্রতিবাদের বিরোধীতা করতে পারে। ছাত্রলীগের এসব কুকর্মের প্রতিবাদ জানালে নাকি রাজাকার হয়ে যায়! এ কারণে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে নেশাখোরদের মতো ব্লগে গালাগালি শুরু করে দেয়। আশ্চর্য ও কুৎসিত তাদের মানসিকতা। ধিক তাদের প্রতি।