ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে শান্তিতে নেই। সর্বত্র দুঃশ্চিন্তা, ভয়। কি হচ্ছে দেশে? ইলিয়াস আলীর মত জনপ্রিয় নেতাকে কে বা কারা কি স্বার্থে গুম করেছে? প্রভাবশালী নেতার যদি এ হাল হয়, তাহলে আমাদের মত সাধারণ মানুষের কি অবস্থা?

যে প্রশ্নটি আমার মনে খোঁচাচ্ছে ক’দিন যাবত, সেটা হল-বিএনপির এ প্রভাবশালী নেতাকে গুম করে কার ফায়দা হাসিল হচ্ছে বেশি? তিনটি কারণ আমার সামনে এসেছে-
১- ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের?
২-বিএনপির?
৩-যুদ্ধাপরাধের অপরাধে প্রধান নেতা বন্দী দল জামায়াতের?

আওয়ামী এমন পাগলামী করার কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ আমার বুঝে আসছে না। যেখানে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য প্রাণপন চেষ্টা করবে ক্ষমতাসীনরা। সেখানে বোকার মত এত বড় রাজনৈতিক ইস্যু বিরোধীদলের জন্য তৈরী করে দেয়ার মত বোকা আওয়ামী লীগ নয়। সে হিসেবে আওয়ামী লীগ সন্দেহের তালিকা থেকে বাদ যেতে পারে।

বিএনপিও একাজ করতে যাওয়ার কথা নয়। কারণ এমন নিবেদিত প্রাণ কেন্দ্রীয় নেতাকে বোকার মত সরিয়ে ফেলার কোন যৌক্তিক কারণ হতে পারে না। তাহলে বিএনপিও বাদ।

বাকি রইল জামায়াতে ইসলামী। তাদের সবচে’ প্রভাবশালী নেতারা এখন জেলের ঘানি টানছে। সামনে ঝুলছে মৃত্যুর পরোয়ানা। সেই সাথে আপামর জনতার ধিক্কার। যুদ্ধাপরাধের বিচারকে বাঁধাগ্রস্ত করে সরকারকে বিভ্রান্ত করার মত ইস্যু তৈরী এখন জামাতেরই সবচে’ বেশি দরকার। সবার চোখ চলে যাবে একদিকে। সরকার ব্যস্ত হয়ে পরবে এসব নিয়ে। অপরদিকে ঝুলে থাকবে একাত্তরের ভয়ংকর সন্ত্রাসীদের বিচার। এছাড়া আর কার স্বার্থ থাকতে পারে এ অমানুষিক কাজ করার? আমার জানা মতে হত্যা করে গুম করে ফেলার জন্য জামাত-শিবিরের মত ভয়ংকর ও পারঙ্গম কোন দল আমাদের দেশে আর দ্বিতীয়টি নেই।

পাঠকরা কি আমার সাথে একমত?