ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা

 

একুশে বই মেলা ২০১১’র মেলা আয়োজক কর্তৃপক্ষ শিশুদের অবাধ বিচরণ এবং ঝামেলাহীনভাবে বই দেখার ও কেনার জন্যে এই ফেব্রুয়ারী মাসের ১৫, ১৬ এবং ২৩ তারিখ শিশু-প্রহর ঘোষনা করেছে। এই তিন দিন মেলা খোলা থাকবে বিকেল ৩:০০ ঘটিকার বদলে সকাল ১১:০০ ঘটিকা থেকে এবং তা চলবে রাত ৯:০০ ঘটিকা পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে সকাল ১১:০০টা থেকে বিকাল ৩:০০টা পর্যন্ত শিশুরা প্রবেশ করবে তাঁদের অভিভাবকদের সাথে; এরপর বিকাল ৩:০০টা থেকে প্রাপ্তবয়স্করা প্রবেশ করতে পারবেন।

আজ ছিলো ১৫ ফেব্রুয়ারি, তার প্রথম দিন। ঘোষিত প্রস্তাবনা অনুযায়ী মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা সংস্থাগুলো সকাল ১১:০০ ঘটিকায় তাঁদের দোকান খুলে ফেললেও সকাল ১১:৩৩ মিনিটের আগে কোন শিশুকে মেলা প্রাঙ্গনে প্রবেশ করতে দেখা যায়নি অথচ বিপরীতে প্রাপ্তবয়স্করা অবাধে প্রবেশ করছিলেন যা আসলে নিষেধ ছিলো! বিকেল ৩টার সময় মেলাতে শিশুদের সঙ্খ্যা নিতান্তই কম ছিলো এবং অন্যদিকে প্রাপ্তবয়স্কদের উপস্থিতি ছিলো উল্লেখযোগ্য; আজ “বই মেলা সরাসরি”-তে অনেকেই দেখে থাকবেন।

সপ্তাহের মাঝখানে শিশু-প্রহর নির্ধারণ একেবারেই অযৌক্তিক। গত বছর শিশু-প্রহর ঘোষনা করা হয়েছিলো দুটি শুক্রবারে যা আসলে তাঁদের জন্যে মেলায় আসার পক্ষে বেশ উপযোগী ছিলো। অভিভাবকগণ তাঁদের সন্তানদের মেলায় নিয়ে আসতে চাইলে সেটা সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া বলতে গেলে অসম্ভব। তথাপি মেলা কর্তৃপক্ষ এমন একটি ভুল নির্দেশনা দিলো!

আশা করছি কাল একুশে বই মেলা ২০১১’র ষোড়শ দিনে, দ্বিতীয় শিশু-প্রহরে শিশুদের অংশগ্রহণ আরো বেশি হবে।