ক্যাটেগরিঃ খেলাধূলা

মিরপুরের ব্যান্ডউইড্‌থ এখন অনেক বেশি, বেশ চওড়া হয়ে গেছে এখানকার রাজপথগুলো। র‌্যান্ডম এ্যাক্সেসে সময় লাগবে কম কারণ তার জন্যে নেয়া হয়েছে বেশ কিছু নতুন এ্যালগোরিদম যা নিয়ন্ত্রিত হবে বেশ সিনক্রনাইজলি। প্রোটোকল মেনে চলা হবে কঠোরভাবে। মিরপুর হয়ে উঠেছে আগের চাইতে অনেক অনেক বেশি ইউজার ফ্রেন্ডলি, সব বয়সের সব রকম ইউজারের জন্যে এর ব্যবহার হবে অনেক বেশি সহজ!
হা হা হা হা! 😀

অনেক আগে গোড়াপত্তন হয়েছিলো ঢাকা নগরীর উত্তরে, গ্রাম্য, জংলা, টীলাসমৃধ্য মিরপুরের; বড়োদের কাছে শুনেছিলাম এমনটা! ধীরেধীরে সেই মিরপুর এখন ঢাকা নগরীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও অপরহার্য্য অঙ্গ হয়ে উঠেছে, নিজ ক্ষমতায়, নিজ গুণে।

আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১১ এখন বাংলাদেশে; প্রথম ম্যাচ হবে রাজধানী ঢাকার মিরপুরে! জাঁকজমকে পুর্ণ, মহা আড়ম্বরে সজ্জিত মিরপুরে!

বই মেলা থেকে ফেরার পথে গত এক সপ্তাহ ধরে নানান রকম বিউটিফিকেশন দেখে আসছিলাম। প্রতিদিনই কিছু না কিছু নতুন বাতি, মনুমেন্ট, ভাষ্কর্য্য তৈরি হতে দেখছিলাম আগারগাঁও থেকে মিরপুর ১০ নম্বর পর্যন্ত রাস্তার কোথাও না কোথাও। কিন্তু আজ আলোকসজ্জার পাশাপাশি চোখে পরলো দুই রকমের মানুষ। প্রথমত, যারা সারাদিন অফিসে থেকে ঘরে ফিরছিলেন আর বিশ্বকাপ নিয়ে তুমুল উৎসাহে আলোচনা করছিলেন। দ্বিতীয়ত, যারা বিভিন্ন পিকআপ, মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস, সেডানে করে মিরপুর স্টেডিয়াম অভিমুখে যাচ্ছিলেন। চিৎকারে চিৎকারে সয়লাব হয়ে যাচ্ছিলো পুরো রোকেয়া সরণী।

আজ থেকে মিরপুর ১০-মিরপুর ১ নম্বরের সনি সিনেমা হল পর্যন্ত রাস্তাটি বন্ধ থাকার কথা ছিলো। সেখানে পৌছতেই দেখলাম দারুন দৃশ্য। হাজারো মানুষ ভীড় করেছে বিশ্বকাপ শুরুর আগে স্টেডিয়াম দেখার জন্যে। দারুন উৎসব শুরু হয়ে গেছে যেন! সড়কদ্বীপ, ফুটওভারব্রীজ, আশেপাশের গাছপালা, কয়েকটি বাণিজ্যিক ভবনসহ পুরো স্টেডিয়াম এলাকা সেজেছে অভাবনীয় আলোকজ্জল সাজে। তারই উন্মাদনা স্পর্শ করেছে এই মানুষগুলোকে। মিরপুরের চেহারা পালটে গিয়ে নতুন একটা ভারসন চলে এসেছে, ভারসন ২.০।