ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

1971 সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান এবং স্বীকৃতিস্বরূপ অনেক কিছু দেয়া হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও নাতি নাতনীদের জন্য শিক্ষাব্যবস্থা ও সরকারী চাকরিতে কোটা সংরক্ষণ এগুলোর মধ্যে একটি অন্যতম সুবিধা। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় কোন রাজাকার বা স্বাধীনতা বিরোধীদের নাতি নাতনি এই সুবিধা পেলেওে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা চিরকালই বঞ্চনার শিকার। কারণ একজন মুক্তিযোদ্ধার ছেলে বা মেয়ের সাথে যদি কোন রাজাকার বা স্বাধীনতা বিরোধীর যথাক্রমে মেয়ে বা ছেলের বিয়ে হয় তাহলে তাদের নাতি নাতনিরা এই সুবিধা পেতে পারে। কিন্তু আমরা যারা সাধারণ শিক্ষার্থী যা মোট শিক্ষার্থীর প্রায় 95%(এটা আমার ধারণা) তাদের জন্য মাত্র ৪৫% মেধা কোটা। আর ৫% মানুষের জন্য 55% প্রাধিকার কোটা। মুক্তিযোদ্ধাদের এককালীন অনুদান, মাসিক ভাতা, চিকিৎসা সুবিধাসহ অন্যান্য সব সুবিধা দিয়ে দিক। অন্তত চাকরির কোটা একটু কমিয়ে 10% এর নিচে নিয়ে আসুক এটাই সরকারের কাছে আমাদের চাওয়া।