ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

আজ সব নিউজ সাইটের প্রধান খবরে একটাই নাম – আরাফাত রহমান কোকো। আদালতে সাজাপ্রাপ্ত, পলাতক, দেশের শীর্ষ দূর্নীতিবাজদের একজন। নিচে আরও কিছু নাম আছে। কষ্ট করে একবার পড়বেন?

হানিফ
মামুন
আনোয়ার হোসেন
শাজাহান উদ্দিন
জয়নাল আবেদিন মোল্লা
সালাহউদ্দিন পলাশ
শহিদ
তাকদির ইসলাম
সালমান
নাজমুল
মোশাররফ হোসেন
সালাহউদ্দিন
সহিদা
ইয়াসির আরাফাত
রাশেদ
মোমেন
খোকন
হারিস
নুরে আলম
সুমন
ফারুক
রুবেল
শাহজাহান সর্দার
মোজাফ্ফর মোল্লা
জমির আলী
তানভির
আবু মিয়া
আলামিন
শহীদুল
জাভেদ
আব্দুল মান্নান
আফরোজা
ইশতিয়াক মোহাম্মদ বাবর
মাসুদ
জাহাঙ্গীর
নূরনবী
জাসেদ
সাজউদ্দিন সাজু
হোসেন
আনোয়ারা
নাজমা
ফারজানা
জুলেখা
আশরাফ
আছিয়া
আয়েনউদ্দিন
কুমেট
নিরঞ্জন দে
জাকির হোসেন
সানজিদ ইসলাম
সোহাগ
টিটোন
আব্দুর রহিম
রোকন
রমিজ উদ্দিন
রিপন বড়ুয়া
ফরিদ উদ্দিন
আম্বিয়া বেগম
রেশমা বেগম
আব্দুর রশিদ
নিতাই চন্দ্র সরকার
মুরাদ
ইসমাইল
মো. শহীদুল্লাহ
ইমাদুর রহমান
পারভেজ
আন্দু মিয়া


এদের কাউকে কি চেনা যায়? উপরের এই নামগুলো আপনার আমার কাছে হয়তো কোনও অর্থ বহন করে না। কিন্তু এরাও কারও বাবা, মা, স্বামী, বোন, ভাই, সন্তান। এরা আমাদের আপোষহীন নেত্রীর গত ২০ দিনের “গণতন্ত্র উদ্ধার” অভিযানের বলি। আরও অনেকেই আছেন। অনেকেরই নাম-পরিচয় উদ্ধার করা যায় নি। অনেকেই শিশু যারা রাজনীতি কি তাই জানে না। অসুস্থ বোধ করছি এত্ত এত্ত নৃশংসতার খবর পড়তে পড়তে।

এদের অনেকেই ইতিমধ্যে মারা গিয়েছেন। আরও অনেকেই হয়তো যাবেন। আরও নাম হয়তো যুক্ত হবে আগামী কিছুদিনে। আমাদের “গণতন্ত্র উদ্ধার” অভিযান চলবে।


অনেকেই বলছেন কোকো মারা যাওয়ায় দুঃখিত। সহানুভূতি জানাচ্ছেন বেগম জিয়াকে। মৃতকে নিয়ে বাজে কথা বলা শিষ্টাচারের মধ্যে পরে না। কিন্তু আমার সহানুভূতি আসছে না। শুধুই বিবমিষা। উপরের নামগুলোরও মা আছেন। তারাও সন্তানের শোকে কাতর হয়ে শুধুই প্রার্থনা করছেন। না, তারা আপনার সহানুভূতি পান নি।


সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের জন্য পুলিশের অভিযানে যাদের মানবাধিকারের চুলকানি শুরু হয়েছে, কোকোর মৃত্যুতে রাজনীতি না মেশানোর বয়ান যারা দিচ্ছেন, অথবা অবরোধের আগুন আসলে সরকারের ষড়যন্ত্র বলে থিয়োরি কপচাচ্ছেন তারা দয়া করে চোখ খুলে দেখুন।ভাবুন এই নামগুলোতে আপনার আপনজনের নামও থাকতে পারতো।


সরকারের মন্ত্রীরা মাঝে মাঝেই বলছেন অভিযান শুরু হয়েছে, ৭দিনেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, ১০দিনেই সব ঠিক হয়ে যাবে তারা দয়া করে কথা কম বলে কাজ করুন। জনগণের ট্যাক্সের টাকা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেছনে অহেতুক খরচ করা হয় না সেটা প্রমাণ করুন। সাধারণ জনগণকে পুড়িয়ে মারা রাজনৈতিক সন্ত্রাস না, জঙ্গী কর্মকান্ড। কঠোর হাতে জঙ্গী দমন করুন। আমরা ৭দিন/১০দিন না আজই পরিস্থিতি স্বাভাবিক চাই।


জীবন্ত মানুষের গায়ে আগুন দিয়ে দেওয়া কোনও মানুষের কাজ হতে পারে না। অমানুষের জন্য কোনও মানবাধিকার নাই।

তথ্য সূত্র<