ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

প্রধানমন্ত্রী যে সুরঞ্জিত বাবুকে সামান্য (বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দুর্নীতিতে ৭০ লাখ সামান্যই বটে ) টাকার দুর্নীতির জন্যে চলে যেতে বলেন, সেখানে এতো চাপ, এতো আন্দোলনের পরও আবুল হোসেন কে কিছু বলে না, বরঞ্চ তার পক্ষ নিয়ে সাফাই গায় কেনো?

কারণ আবুল হোসেন ও সালমান এফ রহমানরা হচ্ছে দৃশ্যমান হাতির দাঁত মাত্র। যেটা শুধু দেখানোর জন্য।

বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে পদ্মা সেতুর দুর্নীতি ও শেয়ার মার্কেটে লুটের কারণে সরকারের তথা আওয়ামী লীগের যে ক্ষতি হচ্ছে তাতে যদি শুধু আবুল হোসেন বা সালমান এফ রহমানরা জড়িত থাকতো তবে তাদের এতদিনে কী যে করা হতো তা আল্লাহই জানে।

এ থেকে সহজেই অনুমান করা যায় আবুল হোসেনদের চেয়েও অনেক বড় শক্তি এই দুর্নীতির সাথে জড়িত আর সেই বড় শক্তি কে বা কারা হতে পারে তাও মানুষ সহজেই বুঝতে পারে।

কিন্তু সহজেই বলতে পারে না, বিচার চাইতেই পারে না, বিচার পাওয়া তো দূরের কথা । তবে এ দেশের ইতিহাস সাক্ষী “মানুষ বলে” ভোট দেবার সুযোগ পেলে মানুষ বলে, আর ভোট দেবার সুযোগ বন্ধ করে দিলেও মানুষ বলে তবে তা কখনো কখনো জাতির জন্য কলঙ্কের কারণ হয়ে যায় ।

তাই আমি সকল ক্ষমতাধরদের বলবো ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন, সাধারণ মানুষের কণ্ঠ চেপে রাখার চেষ্টাটা করবেন না, মানুষকে সত্য জানতে দিন এদেশের মানুষ ক্ষমা শীল, তারা আবার আপনাদেরকে মাথায় তুলে নিবে।