ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

বর্তমান আওয়ামী লীগ 100% খাটি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা দল। কী ভাবে একটু বলার চেষ্টা করি

*”ধর্ম নিরপেক্ষতা” এই একটি শব্দ আওয়ামীলীগ ব্যাবহার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা ছাড়া আর কিছুই নয় এই একটি শব্দ আওয়ামীলীগ ব্যাবহার করে 10-15% সংখালঘুদের ভোট পাবার জন্য। এবং এটাতে তারা প্রায় পুরোটাই সফলতা দেখিয়েছে,

* 1996 এই ইলেকশন আওয়ামীলীগ এর ধর্ম নিয়ে রাজনীতির নতুন খেলা এবার টার্গেট ওপর অংশ তাই তাদের ইলেকশন কামপেইনে প্রধান্য পেলো তসবীর সাথে হিজাব পরিহিত নেত্রীকে , প্রীতিটা পোস্টার শুরুতে থাকলো আল্লাহহু আকবর। আর কর্মীদের স্লোগান ছিল “লা ইলহা ইল্লাল্লাহ নৌকার মালিক তুই আল্লাহ”

এখন দল যখন ইলেকশন ক্যাম্পেইনে ভোটের কথা চিন্তা করে তসবীর সাথে হিজাব পরিহিত নেত্রীকে প্রজেট করে যেটা তার সাভাবিক লাইফ স্টাইল নয় যা তার আগের ও পরের লাইফ স্টাইল থেকে প্রমাণিত এটা নিছক ধর্ম নিয়ে রাজনীতি ছাড়া আর কী হতে পারে?

তেমনি ভাবে পোস্টারের শুরুতে থাকলো আল্লাহু আকবর। আর কর্মীদের স্লোগান ছিল “লা ইলহা ইল্লাল্লাহ নৌকার মালিক তুই আল্লাহ” আবার দলটা ধর্মনিরপেক্ষ ,এটা নিছক ধর্মনিয়ে রাজনীতি ছাড়া কিছুই নয়।

* এবার আসেন আওয়ামীলীগ এর ফতায়া চুক্তি নিয়ে বলি, শুধু মাত্র খেলাফত মজলিসকে নিজের জোটে নেবার জন্য আওয়ামীলীগ খেলাফত মজলিসএর সাথে একটি লিখিত ফতায়া চুক্তি করেন যার অন্যাননো ধারা গুলির ভিতরে

1 আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার আহমদিয়াদের অমুসলিম হিসাবে ঘোষণা দিবেন।
2 ক্ষমতায় আসলে আওয়ামীলীগ দেশে বেলাছফেমি আইন করবেন।
3 ফতোয়া আইনগতভাবে লিগাল ও মানতে বাধ্য করা।

সুত্র : http://en.wikipedia.org/wiki/Bangladesh_Khelafat_Majlish#cite_ref-F_1-3

আমার জানামতে এই রকম আইন শুধু পাকিস্তানে (1, 2) এবং সৌদি আরবে আছে। শেষ বার এই আইন প্রনয়ন করেছিল তালেবানের নেতা মোল্লা ওমর আফগানিস্তানে। ওই নির্ধারিত ইলেকশন হইনি বলে আওয়ামীলীগ পরবর্তীকালে ওই ফতায়া চুক্তি বাতিল করেন।

এখন ধর্মনিরপেক্ষ আওয়ামীলীগের নেত্রী তালেবানের মোল্লাওমর এর আইন করবেন বলে লিখিত ফতায়া চুক্তি করেন। এটাতে প্রমাণ হয়

*খেলাফত মজলিস এই ফতোয়া চুক্তির মাধ্যমে যেটা করেছে এটা তাদের ধর্মীয় রাজনীতি (কারণ তারা এই ফতায়া বিস্সাস করে )
*আওয়ামীলীগ এই ফতোয়া চুক্তির মাধ্যমে যেটা করেছে এটা তাদের 100% খাটি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি (কারণ তারা এই ফতোয়া বিস্সাস করে না )

**পরিশেষে আওয়ামীলীগের ধর্মনিয়ে রাজনীতি করার সর্বশেষ দালিলিক প্রমাণ হল তাদের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
বাংলাদেশ বর্তমানে দুনিয়ার একমাত্র দেশ যার যে সাংবিধানিক ভাবে ধর্মনিরপেক্ষ এবং সেই সংবিধান শুরু হয় বিসমিল্লাহে রহমানের রাহিম দিয়ে আর যার রাষ্টধর্ম ইসলাম।

এখানে সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা , বিসমিল্লাহ রহমানের রাহিম , অথবা রাষ্ট ধর্ম ইসলাম এর কোনটাই আওয়ামী লীগের বিশ্বাসের কারণে সংবিধানে আসেনি ( আর তিনটাই একসাথে বিশ্বাস করা সম্ভব না ) এর তিনটাই আওয়ামীলীগএর ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার ফল।

এখানে আমি আওয়ামী লীগের যে বিষয় গুলি আনলাম তা আওয়ামীলীগের দলীয় কর্মকাণ্ড্য, কোনও নেতা বা নেত্রীর বেক্তিগত উক্ততি উলেখ করিনি।
তবে আওয়ামী লীগের নেত্রীর সম্প্রতি তার দলীয় সভায় শরিয়া আইন প্রবর্তন করার ইচ্ছাকে একদম না উল্লেখ করে পারলাম না

এই প্রসঙ্গে আমি উল্লেখ করতে চাই যে বাংলাদেশের সব বড় দলগুই কম বেশি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে, কিন্তু ধর্ম নিরপেক্ষতার চাদর পড়ে এবং সব ধর্মকে নিয়ে, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি একমাত্র আওয়ামী লীগই করে।