ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

চাদবাজি এবং টেন্ডারবাজি

বর্তমান বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক সমস্যা হলো অবাধ চাঁদাবাজি এবং টেন্ডারবাজি, আমরা (আপনার ভাষায় নব্য জামায়াতিরা) এই প্রধান রাজনৈতিক সমস্যা একদম মুক্ত গত ৫ বছরে জামাতের করো বিরুদ্ধে তেমন কোনও উল্লেখযোগ্য দুর্নীতির মিথা মামলায়ও হইনি।

জামাতের ও জঙ্গী অপবাদ

রাজশাহীর বাগমারায় বাংলা ভাইয়ের মদদে আইন বহির্ভূত ভাবে সর্বহারা দমন করছিল তখন সুশীল সমাজ থেকে এর প্রতিবাদ হয় তখন সরকারের অনেক বড় বড় নেতার বাংলা ভাইয়ের অস্তিত্ব স্বীকার করেনি। নিজামী সাহেবও তাদেরকে মিডিয়ার সৃষ্টি বলে ধামাচাপা দিতে চেয়েছিলেন বলে অভিযোগ আছে।

এ থেকে এটা প্রমাণ হয় না নিজামী জেএমবির নেতা আর তিনি সারা দেশে বোমা হামলা করিয়েছেন সব চেয়ে বড় প্রমাণ বর্তমান সরকারের আমলে জেএমবি বিগত কাজের জন্য কোনও জামাত অথবা শিবির নেতার নামে কোনও মিথা মামলায়ও হইনি। গত 20 বছরে যতো বোমা হামলা এদেশে হলো তার কোনটিতে কয়জন জামাত নেতাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে?

গত সরকারের সময় সব বিরোধী দলের নেতার বলেছিল জেএমবি জামায়াতের আমির নিজামীর সৃষ্টি।তবে আজ কেন তার প্রমাণ দেয় না? কেন তাকে জেএমবির নেতা হিসাবে জেলে নিলো না তাকে প্রথম জেলে নিলো ইসলামের অবমাননাকারী হিসাবে।

যুদ্ধাপরাধ ও জামাত্

খালেদা যেমন বিএনপি এর নেতা, হাছিনা যেমন আওয়ামীলীগের নেতা, নিজামী তেমনি ভাবে জামাতের নেতা নয়।

জামাতের প্রতিটা কর্মীর প্রধান নেতা রসুল্লাহ মুহাম্মদ সা: অতএব নিজামী যতক্ষণ সমস্ত মুসলমানের প্রধান নেতা রসুল্লাহর মুহাম্মদ সা: পথে নেত্রীত্ব দিবেন ততক্ষণ সে জামাতের নেতা তিনি যদি তা করতে না পারেন তখন জামাতের প্রতিটা কর্মী তখন তাকে নেত্রীত্ত থেকে টেনে হিঁচরে ফেলে দিবেন।

যুদ্ধাপরাধীদের মত অপরাধীদের নেত্রীত্ব কোনও জামাত কর্মী মেনে নিবে না। নিতে পারে না। জামাত কর্মীরা নিজের পকেটের টাকা খরচ করে, জানের বাজি রেখে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির লাভের জন্যে রাজনীতি করে কোনো যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে নহে।

এখন প্রশ্ন হলো তবে কেন তারা তাদের নেতাদের ছাড়ছেন না। এর একমাত্র কারণ জামাত নেতার যে যুদ্ধাপরাধী এটা জামাত কর্মী সহ অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। এর একটা বড় কারণ গত 20-30 বছরের এদেশে রাজনীতিতে জামাতের ভূমিকা অন্যান্য বড় দলের তুলনায়। জামাত কর্মীরা মনে করে বর্তমান সময়ে এই বিচারটার একমাত্র কারণ রাজনৈতিক

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার< জাতি হিসবে গত 20 বছরে আমরা আমাদের প্রশাসন, বিচার ব্যাবস্তা, কোথায় নিয়ে এসেছি, একদল মামলা করে আর একদল একিই ব্যাবস্তার ভিতর দিয়ে সেই মামলা উড়িয়ে নিয়ে যায়। ব্যারেস্টার রফিকুল ইসলাম বলেন হাইকোর্টে সমস্ত্ত রায় মুখ দেখে হয়। এরকম পরিস্থিতিতে যুদ্ধাপরাধএর মত সেনসেটিব রাজনৈতিক ইসসু নিরপেক্ষ, ও গ্রহণযোগ্য বিচার করার ক্ষমতা বর্তমান প্রশাসন, বিচার ব্যাবস্তার মাধমে কী আদও? সম্বব এমনকী এই সরকার পরিবর্তন হয়ে বিএনপি ক্ষমতায় আসলেও যুদ্ধাপরাধএর মত সেনসেটিব রাজনৈতিক ইসসু নিরপেক্ষ, ও গ্রহণযোগ্য বিচার করা সম্বব নয়। আর যেন তেন একটি বিচার করলে আমাদের মহান মুক্ত্তিযুদ্য কে কলঙ্কিত করা হবে। এই দেশের বিরোধী দল সহ +-50% মানুষ এই বিচার প্রক্রিয়া সমর্থন করছে না। জাতিস্গং সহ যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক পৃথিবীর প্রায় সকল প্রতিষ্ঠান এই বিচার প্রক্রিয়া সমর্থন করছে না এদের কেউই কিন্তু বলেনি যে বিচার করা যাবে না তারা বলছে এই আইন ও এই বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিরপেক্ষ, ও গ্রহণযোগ্য বিচার করা সম্বব নয়। এখন উপায়
মুক্তিযুদ্ধকে যদি কেউ কলঙ্কিত করতে না চায় তবে আমদের প্রধান কাজ হবে সবাই মিলে নিরপেক্ষ,ও গ্রহণযোগ্য বিচার ব্যাবস্তা করা। যে বিচার আমাদের দেশের সবাই নাহক অন্তত 80-90 ভাগ মানুষ মনে করে যে নিরপেক্ষ,ও গ্রহণযোগ্য বিচার হচেছ।

সবাই মিলে কথাটা যখন আমি বলি এর মানে দাড়ায় বিএনপি ও আওয়মিলীগকে এক সাথে এটা করতে হবে যা বর্তমান এবং নিকট ভবিষত রাজনীতিতে অমর মনে হয়না হবে।

তাই আমি মনে করি এই বিচারটি করতে জাতিসংঘ অথবা ইন্টারন্যাশনাল যুদ্ধাপরাধ কোর্ট কে অনুরোধ করুক বাংলাদেশ। তারপরে তারা ইন্টারন্যাশনাল আইন অনুসারে যাকে খুশি যেভাবে খুশি বিচার করুক।

আর এর মাধমে আমরা যদি যুদ্ধাপরাধের নিরপেক্ষ,ও গ্রহণযোগ্য বিচার করতে পারি তবে সারা দেশের সাথে জামাতের সমস্ত কর্মীও মেনে নিবে।