ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

নব্বই পরবরত্তি প্রতিটি সরকারকে যদি আমরা পর্যবেক্ষণ করি, প্রতিটি সরকার তার আগের সরকারের চেয়ে একটি কাজ বেশি মাত্রায় ও অধিক পরিমাণে করতে পেরেছে আর তা হলো বিরোধী দলের উপর নির্যাতন।

তবে বর্তমান সরকার যেভাবে রাষ্ট্রযন্ত্র বাবহার করে বিরোধী সব দলের সব নেতাকে এক সাথে জেলে পুড়লো, এর পড়ে যে কী হবে ? তা আমার বুঝে আসছে না। তবে একটা জিনিস ক্লিয়ার এবার আর নেতারা কর্মীদের উপর দিয়ে বালামছিবত দূর করতে পারবেন না।

আওয়ামী লীগের প্রকৃত নেতাদের সাবধান করার কারণ হলো, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের যাদেরকে দিয়ে একনায়ক তন্ত্র্রিক ভাবে দেশ চালাচ্ছেন (বিরোধী দলের উপর নির্যাতন চালাচ্ছেন) আল্লাহ না করুক যদি আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে যায় এবং তত্কালীন সরকার যদি (প্রতিশোধের জন্যে ) আওয়ামী লীগের প্রথম 44 জন নেতার নাম নির্ধারন করে (আমার মনে হয় তারা কমসেকম 88 জন নেতার নাম নির্ধারন করবে অভাগা বাংলাদেশের এটাই নীতি ) তবে আজকে আওয়ামী লীগের যারা দেশ চালাচ্ছেন তাদের 5-7 জনের নামও ওই লিস্টে আসবে বলে মনে হয়না।

তখন দলের ক্রান্তি লগ্নে আওয়ামী লীগের প্রকৃত নেতাদেরই আবার এগিয়ে আসবে এবং তারাই সকল নির্যাতনের শিকার হবে।

যেমনি আমরা দেখেছিলাম 96-01 সালের সরকারের কোনও গডফাদারের কর্মকাণ্ডের জন্যে তাদের জেলে যেতে হইনি, তারা বহাল তবিয়তে বিদেশে ঘুরে বাড়িয়েছেন, আর প্রকৃত নেতাদেরকেই সকল নির্যাতন সয্য করতে হয়েছে।

আওয়ামী লীগের প্রকৃত নেতাদের প্রতি অনুরোধ আপনারা সাবধান হোন এবং অন্তত ভবিষতের কথা চিন্তা করে আপনাদের নেত্রীকে বুঝান এই জেল জুলুম, নির্যাতনের রাজনীতি থেকে বেড়িয়ে আসতে।