ক্যাটেগরিঃ ব্লগ

1991 তে জামাতের সমর্থনে বিএনপি যখন সরকার গঠন করে তারপর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির বেনারে আওয়মিলীগ একটি বিশাল আন্দোলন গড়ে তুলে ১৯৯৩ এ 5-6 লাখ লোকের গণআদালতে ফাঁসি পর্যন্ত দেয়া হয়েছিল। তারপর জামাত যখন বিএনপিকে সরানোর জন্যে আওয়মিলীগএর সাথে যোগ দিল তারপর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আন্দোলন বন্ধ.
যে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি 5-6 লাখ লোকের গণআদালত করলো জামাত আওয়মিলীগএর সাতে যোগ দিবার পড়ে 500-600 লোকও পায়নি মিটিং করার জন্যে।
উল্টো তখন বিএনপির খালেদা জিয়া সহ সব লিডাররা বলা শুরু করল ভোট চোর, রাজাকার, ও সৈরাচার এক হয়েছে, আর আওয়মিলীগএর লিডাররা বলতো “দেশপ্রেমিক
সকল মানুষ আজ ঐক্যবধ্য এই সরকারকে তত্তাবধায়কএর গণ দাবি মানতেই হবে।

কে জানে এই ঐক্য যদি আজ অটুট থাকতো তবে হয়তো বিএনপিই আজ জামাতে বিচার করতো যুদ্ধাপরাধী হিসাবে আর আওয়মিলীগ এর বিরোধিতা করতো।

জামাত আওয়মিলীগএর সাথে যোগ দিবার পুরুসকার সরূপ 1996-2001 জামাত নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ তো দূরের কথা তেমন কোনও সাধারণ হয়রারি মূলক মামলায় হইনি। যেখানে বীর মুক্ত্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেনের বিরুদ্ধেই শুধু 150 টি মামলা হয়েছিল। শায়খুল হাদীস (যাকে পড়ে জোটে নেবার জন্যে এদেশে বেলচ্ফেমি আইন করবে বলে আওয়মিলীগ লিখিত চুক্ত্তি করেছিল) এর মত আলেম লোকেরও জেলে যেতে হয়েছিল। পরবর্তীতে চার দলীয় যত ক্ষমতায় আসার পড়ে বিএনপিআর 70000 মানুষের হয়রানি মূলক মামলা প্রততাহার করে যার মধ্যে জামাতের মামলা নাই বললেই চলে।

2001 সালের নির্বাচনের পড়ে দুই দলই জানে জোট কতটা গুরুত্তপূর্ণ জামাত, ও জাতীয় পার্টি নির্ধারন করবে ক্ষমতার রাজনীতি। ( বিএনপির বাকি 17 দল বা আওয়মিলীগএর 14 দল নহে)

আর এরশাদ সাহেবকে নিয়ে টনাটানির কথা নাইবা বললাম কেউ যদি আজ তাকে সৈরাচার বলে তবে আমার মনে হয় সে এরশাদ সাহেবের চেয়ও বড় বেহায়া ও নির্লজ্জ।

এ দেশে যা কিছু হচ্ছে তা সবই নির্লজ্জ রাজনীতির ভবিষসতের কথা চিনত্তা করে হচ্ছে, দেশ, জনগণ , উন্যয়ন, মুক্ত্তিযুদ্ধর চেতনা, এ সবই অমূলক ও লোক দেখানো।

একটাই লক্ষ রষ্টিও ক্ষমতা , ও এই ক্ষমতার মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন করা।