ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

এই সরকার তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা (বিরোধী দলবিহীন ১৫ ফেব্রুয়ারি মার্কা নির্বাচন করে ক্ষমতায় টিকে থাকা) বাস্তবায়ন করতে হলে যে বাধা গুলি আসবে তার সমাধান জন্যে সরকারের পরিকল্পনা

বিরোধী দল কর্তৃক বাধা
বিরোধী দল এই সরকারের ভাধা বলতে বিএনপি ও জামাতকেই বুঝি যারা চেষ্টাটা করবে কঠোর আন্দোলন করে সরকারের ভবিৎসত পরিকল্পনা বানচাল করতে। কঠোর আন্দোলন বলতে যা বুঝায় তা হলো পেশী শক্তির মাধ্যমে রাজপথ দখল করে দেশকে অচল করে সরকারকে দাবি মানতে বাধ্য করানো।

গত বিএনপি সরকারের সময় র‌্যাব সৃষ্টির পর বিএনপি পেশী শক্তি সম্পন্ন কর্মীরা র‌্যাবের দৌড়ানির ভিতরে ছিল অনেকেই ক্রস ফাইরে নিহত হয়েছেন আর গত 1/11 সরকারের সময় দৌড়ানির ভিতরে ছিল সব নেতারা যার অনেকই আর রাজনীতিতে সক্রিয় হইনি। আর বাকি যা ছিল বা আছে তাতো এই সরকার সর্বকালের সর্বশেট্ট বিরোধীদল দমন নীতির মাধমে মোটামুটি একদম ঠান্ডা করে রেখেছেন।

আন্তর্জাতিক বাধা

সরকারের ভবিষৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের একটি প্রধান বাধা হোতে পারে আন্তর্জাতিক চাপ। এই বাধা অতিক্রম করার প্রধান ভরসা হলেন প্রণববাবু, তাই তো সরকার বীনা বাক্যে প্রণববাবুদের সকল দাবি মেনে নিলেন।

মাইনাস পয়েন্ট যেটা হলো তা হচ্ছে ডক্টর ইনুছের ব্বেপারটা এটা নিয়ে সরকার একটু বৈদেশিক চাপের ভিতর আছে। তা আবার শুনলাম সপ্তম নৌবহর মতায়নের কথা বার্তা বলে একটু পুষিয়ে নেবার চেষ্টাটা করছে।

সুশীল সমাজ কর্তৃক বাধা

সরকারের ভবিত্সত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বাকি একটি বাধা থাকে সুশীল সমাজ কর্তৃক বাধা, সুশীল সমাজ, সাংবাদিক, মিডিয়া অনবরত সরকারের বিরুদ্ধে যদি কথা বলে যায় তবে সরকারের ভয় এটার কারণে এক সময় একটি গণবিস্ফোরণ দেখা দিতে পারে। তাই সরকার খুব সুপরিকল্পিত ভাবেই এদেরকে এখনি নিষ্ক্রিয় কররার জন্যে কাজ করছে, সাংবাদিকের উপর হামলা, টকশোতে কথা বলার জন্যে হাইকোর্টে মামলা, প্রধানমন্ত্রীর আক্রমনাত্মক বক্তব্য, সর্বোপরি সাংসদদের প্রতিক্রিয়া এ সবই জাতির নির্দলীয় বিবেককে নিষ্ক্রিয় কররার জন্যে সুপরিকল্পিত কাজ।