ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

 

আমরা অনেক দিন লক্ষ্য করছি মহাজোট সরকার তার সময়ের মধ্যে বেশ কিছু ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করতে চাচ্ছে তারই অংশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিটি ফ্লাইওভারের কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল ঠিকাদারের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ।ঠিকাদারেরাও তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করার জন্য কাজের মানের প্রতি খেয়াল না করে কোন রকমে ফ্লাইওভারের কাজ শেষ করার জন্য ব্যাতিব্যাস্ত হয়ে পরে ।কারন মহাজোটের আছে আর মাত্র এক বছর ।এই সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারলে মহাজোটের আর কোন উন্নয়নের কাজ নেই যা নিয়ে তারা জনগনের মাঝে হাজির হতে পারে।

এ পর্যন্ত তারা যা উন্নয়ন করেছে তা শুধু নাম পরিবর্তন করে , যা আজ জনগণের মাঝে দিনের আলোর ন্যায় স্পষ্ট । তাই ঠিকাদারি কাজ দেওয়া হয় আওয়ামি লীগ এক নেতাকে । নিজ দলের মাঝে ঠিকাদার হলে কেমন কাজ হবে তাও আজ মানুষের না বুঝার কিছু নেই । তাদের ঊদ্দেশ্য ছিল ধুমধাম করে উদ্বোধন করে নির্বাচনের আগে তাদের উন্নয়ন মিডিয়ায় প্রচার করা ।

এই ফ্লাইওভারের কাজের মান নিয়ে আগে থেকেই প্রশ্ন ছিল কারন এর আগেও জুমার নামাজের সময় এক বাসের উপর ফ্লাইওভারের রাডার ভেঙ্গে পরেছিল কিন্তু জুমার নামাজ থাকায় তেমন কোন ক্ষয় ক্ষতি হয়নি ।কিন্তু এ নিয়ে কোন তদন্তও করা হয়নি।আর তদন্ত হবেই বা কেন তখন তো আর মানুষ মারা যায়নি আবার আ’মিলীগ নেতার কাজ বলে কথা ।

এ নিয়ে মিডিয়াও তেমন কথা বলে না।মিডিয়ার হাকঢাক দেখা যেত যদি জোট আমলে হত। আওয়ামী ও বাম বুদ্ধিজীবীরাও চুপচাপ। কেন চুপচাপ থাকবেন না ‘এ নিয়ে তাদের তো যন্ত্রণা নেই তাদের যন্ত্রণাতো শুধু জামাত জোট সরকার।

যাহোক ভাগ্য ভাল বি এন পি ও তার শরিক দলের কারন এই রাডার যদি তাদের আমলে ভেঙ্গে পরত তাহলে এ নিয়ে হরতাল হত এক সপ্তাহ সমস্ত দায় চাপত গিয়ে জোট সরকারের ঘারে। এমনিতেই তো কত কথা যুদ্ধপরাধের মামলা বানচাল করার জননই এই রাডার ভেঙ্গে পরেছে। এই ভাঙ্গার পেছনে জামাত জোটের ইন্দন আছে আর কত কি। মানে পাগলে কি’না বলে ছাগলে কিনা খায়।এদের যেন স্টাটেজি হয়ে গেছে সব খারাপ জায়গায় জামাত শিবিরের গন্ধ খুজে পাউয়া ।

হায়রে জাতি দুঃখ হয় এই সমস্ত বিবেক বর্জিত মানুষের জন্য যারা আজ পাঁচ বছরের বাচ্চা এই সুস্পষ্ট মিথ্যাচার বুঝার পরেও তাদের আবার মিডিয়ার সামনে আনা হয় কথা বলার জন্য ।