ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

বাংলাদেশ একটি ধর্মভীরু মুসলিম প্রধান দেশ হওয়ায় এখানে নবী করিম স: কে নিয়ে কটুক্তি কেউ মেনে নেবে না এই সামান্য উপলব্ধি কি সরকারের হয়নি? ঘটনার সত্যতা যাচাই করার আগে ঘটনা যদি সত্যি হয় তাহলে সরকারের ভূমিকা কি আর অপপ্রচার হলে করনীয় কি তা জনগণের কাছে তুলে ধরা দরকার ছিল । তাহলে জামাত শিবির কিংবা দালাল পত্রিকা উসকানি দিয়ে ফয়দা লুটতে পারতো না । সরকার ঘটনার পর প্রিয় নবীর কটুক্তিকারীদের বিপক্ষে অবস্থান নিল অথচ এটা আগে নিলে এমন হতো না । একজন মুসলিম হিসাবে কে মেনে নিবে এমন বক্তব্য ? আগে আমার ধর্ম তার পর দল , একজন মুসলিম হিসাবে আমি তাই মনে করি । একটি রাষ্ট্রে বহু ভাষার ধর্মের বর্ণের গোত্রের লোকের বসবাস থাকতে পারে তারা আবার এক বা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে বিভক্ত থাকতে পারে , তাই বলে ভাষা ধর্ম বর্ণ গোত্র ইত্যাদি মৌলিক পরিচয় কিন্ত বিলীন হয়ে যায়না। কেউ কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে কটুক্তি করবে কেউ কি তা মেনে নিবে, হউক না তারা সংখ্যা লঘু কিংবা সংখ্যা গুরু । রাজীবের বক্তব্য / কটুক্তি সত্য না মিথ্যা সেটা সরকারকে বলে দিতে হবে আর সরকারকে তার অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে । নইলে জামাত শিবির বাংলার মাটিতে তরতাজা হবার রসদ পাবে ।