ক্যাটেগরিঃ ব্যক্তিত্ব, হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে

একটি গল্প আমরা কম বেশি সবাই শুনেছি। একটি সন্তানের দাবিতে দুই জন মা। বিচারে ঠিক হল সন্তানের আসল মা। টানাটানির এক পর্যায়ে এক মা সন্তানের হাত ছেড়ে দিলেন। বিচারক জিজ্ঞাস করলেন তুমি কেন হাত ছেড়ে দিলে? তখন মা বলল আমার সন্তানটি কষ্ট পাচ্ছিলো। টানাটানিতে ওর হাত ছিড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। মা হয়ে আমি কিভাবে সন্তানের কষ্ট সহ্য করি। ওর ক্ষতি হোক আমি চাই না। ও যেখানেই থাক না কেন ভাল থাক, সু্স্হ থাক এটি আমি চাই। এ জন্য ছেড়ে দিয়েছি। বিচারক তখন বললেন তুমি হলে ওর আসল মা। সন্তানের কষ্ট তুমি দেখেছ কারণ তুমি মা। আর ওই মহিলা দেখেনি কারণ ও মা নয়।

হুমায়ুন আহমেদ এর কষ্ট শাওন দেখেনি। দেখার কথাও না। যাদের দেখার তারা ঠিকই দেখেছে। আমরা গোটা বাংলাদেশ তা দেখলাম। অভিভূত হলাম। বেঁচে থাকো নুহাশ, শীলা, নোভা। তোমাদের এই ভালবাসা তোমাদের বাবা দেখছেন কিন্তু কিছু বলতে পারছেন না। তোমরা শুধু দোয়া করো আল্লাহ যেন উনাকে শান্তিতে রাখেন। শাওন যা করেছে তার কর্মফল সে পাবে। আমরা তা দেখার অপেক্ষায় রইলাম। শাওনের মনের কথা বেরিয়ে গেছে নুহাশ পল্লীকে নিয়ে তার কথায়। দাফন করার কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার আগে তার এ ধরনের মন্তব্যতে বুঝা যায় আসল উদ্দেশ্য কথায়।

শাওন আসলে লোভে হুমায়ুন আহমেদ কে বিয়ে করেছিল। তার যা চেহারা মাশাল্লাহ নায়িকা হওয়া কোনদিন ও সম্ভব ছিল না। আমরা যানি যারা প্রতিভাবান হন তারা নাকি এক্টু পাগ্লাটে হয়। কিন্তু হুমায়ুন আহমেদ যে পাগ্লামিটা করলেন তার খেসারত সারা জীবন তাঁর সন্তানদের দিতে হবে। নুহাশ, শীলা, নোভা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। নুহাশ, শীলা, নোভা তোমরা দুঃখ করো না। তোমাদের ভালবাসার প্রমাণ তোমরা দিয়েছ। শাওনের চাই সম্পত্তি, নাম, আনন্দ, ফূর্তি। হুমায়ুন আহমেদ এর নাম ভাঙিয়ে সে এটা করবে। ধীরে ধীরে প্রকাশ পাবে সব। কিছুটা আমরা এই কয়েকদিনে দেখলাম। আর শাওনকে নিয়ে নাচানাচি করবে ভদ্র নামধারী কিছু সুবিধাবাদী লোক। শাওন যদি এতই ভাল হবে তাহলে তার শ্বাশুড়ির কথা শুনলো না কেন। হাজার হলেও তিনি তাঁর মা। আর সরকারের রহস্যজনক ভূমিকা আমাকে অবাক করেছে । বেডরুম থেকে এবার উনারা কার কোথায় দাফন হবে সেটাও ঠিক করছেন। আচ্ছা আমি মরে গেলে আমার দাফন কোথায় হবে সরকার যদি আগেভাগে বলতেন ভাল হত……………………………………