ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার

 

ঋতু চক্রে গ্রীষ্মের তাপদহনে যখন ক্লান্ত, শীতল বুলিয়ে নূপুরের ঝমঝম শব্দ নিয়ে নিয়ে এলো ‘বর্ষা’। , আবার এলো মেঘের গর্জন শোনার, জানালার গরাদ ধরে দাঁড়িয়ে বৃষ্টি দেখার, খিচুড়ি-ইলিশ ভাজা খাওয়ার কিংবা বৃষ্টিতে ভিজে ফুটবল খেলে সর্দি-জ্বর বাঁধানোর দিন। অলস সময়ে শর্ষে তেলে মুড়ি মাখিয়ে প্রিয়জনদের কাছে আষাঢ়ের গল্প ফাঁদা আসর। নাগরিক কর্মব্যস্ত জীবনে নেই সেই টিনের চালে বৃষ্টি পড়ার ঝমঝম শব্দ, মেঘের গর্জন আটকা পড়ে যায় উঁচু উঁচু দালানের মাঝে, বৃষ্টি ভেজা মাটির সোঁদা গন্ধ পাওয়া যায় না। বৃষ্টি বন্দি হওয়া আক্ষেপের বিষয় তার পরেও বর্ষা আসলে ভালো লাগে। অফিস-ফেরত ক্লান্ত শরীর, পানি কাদায় আর জ্যামে কাহিল, তারপরেও বৃষ্টিতে শান্তি, বৃষ্টিতে সজীবতা। রাস্তা খুঁড়ে একাকার, নাগরিক সুবিধাগুলো নিয়ে হাহা কার তার পরেও চাওয়া বর্ষা আসুক ভিজিয়ে দেক মনটা; বৃষ্টি শেষে নিতে চাই প্রাণ ভরে সজীব নিঃশ্বাস। ছাতাটা উড়ে যাবে দমকা হাওয়ায়, ভিজব তুমি আমি—সেই বৃষ্টি। বর্ষা আসলে কনক্রিটের শহরেও কদম ফুল ফোটে, বৃষ্টি ভেজা কদম নিয়ে পথে ফুল বিক্রি করে যে মিষ্টি মেয়েটি তার হাসিতে মন সিক্ত হয়।

স্মৃতির ভেলায় ভেসে যাওয়ার বৃষ্টি নিয়ে এসেছে বর্ষা। বর্ষা কেবল একলা আসে না, সঙ্গে নিয়ে আসে স্মৃতির ঝাঁপি, হারিয়ে যায় নস্ট্রানলেজিয়ায়। অঝোর বৃষ্টি দেখতে দেখতে মনে পড়ে যায় সেই কতকালের পুরনো সব কথা। আর মনে হয়, এমন দিনে তারে বলা যায়, এমন বরষার ঘনঘটায়।

বর্ষা নিয়ে এমনি আনন্দ বেদনার গল্প আর কবিতার ঝাঁপি নিয়ে আসতে চাই লেখক পাঠকদের অনলাইন মিলন মেলা গল্পকবিতা ডট কম । তাই এই বর্ষায় নিজের মনের কথাটি উজাড় কলে লিখুন গল্প কবিতার ভাষায়। পাঠক ভোটে সেরা পাঁচজন লিখিয়েদের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় পুরষ্কার। তাই দেরি না করে ঝটপট তুলে নেন কলম কিংবা কি-বোর্ড আর বর্ষা নিয়ে আপনার সেরা লেখাটি পাঠিয়ে দিন ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে। বিস্তারিত জানার জন্য লগ করুন গল্পকবিতা ডট কমে