ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

 

প্রবীর সিকদার’রা সব সময়ে জাতির হিতার্থে নিবেদিত প্রাণ। তারা জাতির জন্য যা কিছু করে, মন থেকেই করে। কোন হালুয়া রুটির জন্য লোভাতুর হয়ে করে না।

তবে প্রবীর সিকদারদের সমস্যাটা হয় বারবার অন্য কারনে। নির্মোহ এই সিকদার’রা বারবারই ভুলে যায় এই বাংলাদেশে সবাই তার বা তাদের মতো ক্ষুধা তেষ্টা পরিহার করে বাচতে পারে না। সবার ক্ষিধে আছে। তেষ্টা আছে। আছে ক্ষমতায় যাবার, ক্ষমতা দেখানোর আর ক্ষমতা ধরে রাখার সতত চেষ্টা। আর এই কাজে প্রবীর সিকদারদের সততা নিসন্দেহে বড় বাধা।

00000000000000

তো! প্রবীর সিকদার’রা জেল খাটবেনা তো কী জেল খাটবে ক্ষমতালোভী, দখলদার, লুটেরা আর রাজাকাররা?

হতেই পারে না।

জেল খাটুক আর রিমান্ডেই থাকুক, যাই হোক না কেন; এ কথা দিবালোকের মতো পরিস্কার যে, এত দিন যা ছিল কানাঘুষা, যা এতদিন সবাই আড়ালে আবডালে বলতো, তা আসলে শতভাগ নির্ভুল আর সূর্যালোকের মতো দীপ্ত। কারণ যদি এর মধ্যে বিন্দুমাত্রও কৃত্রিমতা থাকতো, তাহলে প্রবীর সিকদার-এর গ্রেফতার নিয়ে দেশের আপামর জনসাধারনের এই যে এত উত্কন্ঠা! এত উদ্বেগ! এসবের কিছুই থাকত না।

যাক, এবার শান্তনা এটাই; শেখ হাসিনা’র সরকার যখন রাজাকারদের বিচার শুরুই করেছেন, শেষ একদিন না একদিন হবেই।

এই শেখ হাসিনা সরকার শেষ করতে না পারলেও পরের কোন না কোন সরকার নিশ্চয়ই শেষ করবে। অন্তত একটি রাজাকারও এই বাংলার মাটিতে বিনা বিচারে মাফ পেয়ে যেতে পারবে না, সেটাই বা কম কিসে!

 

গৌতম হালদার