ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 
খবর-১: রাজন হত্যায় দ্রুততম সময়ে চার জনের ফাসির আদেশ।
খবর-২: রাকিব হত্যায় দ্রুততম সময়ে দু’জনের ফাসির আদেশ।
অসংখ্য ধন্যবাদ আর আন্তরিক কৃতজ্ঞতা মাননীয় আদালত এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে, এই দুটি বর্বর হত্যাকান্ডের দায়ে অভিযুক্তদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জন্যে।
একই সাথে প্রত্যাশা, পেটে লাথি মেরে অনাগত সন্তানকে হত্যা এবং মাকে চিরtulshi-raniতরে বন্ধ্যা করার জন্য তুলসী রানী দাসকে নির্যাতনে দায়ী অভিযুক্ত পশুগুলোকেও অনতিবিলম্বে ফাসির আদেশ। কারণ শিশু রাজন হত্যা কিংবা শিশু রাকিব হত্যা জঘন্যতম নিন্দনীয়, বর্বর আর নৃসংশ সন্দেহ নেই, পেটে লাথি মেরে একজন মা’র গর্ভস্ত সন্তানকে মেরে ফেলা আর ওই মাকে চিরতরে বন্ধ্যা করে ফেলা কোনো ক্রমেই রাজন রাকিব হত্যার চেয়ে লঘু করে দেখার সুযোগ নেই। তবে আমার মনে হয়, এটা বরং আরো মারাত্মক অপরাধ হিসেবেই বিবেচিত হওয়া উচিত।
তবে উদ্বেগের বিষয় হলো- যতদুর জানি এই বর্বরতম হত্যাকান্ডের জন্য মূল অভিযুক্তরা এখনো ধরা ছোয়ার বাইরেই রয়ে গেছে এবং ঘটনাকে রাজনীতির ছদ্মাবরণে পাল্টে ফেলার চেষ্টা চলছে। স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে, তবে কি তুলসী রানীরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বলে, আর নির্যাতনকারীরা “দলীয় কর্মী” পরিচয়ের কারণে রেহাই পেয়ে যাবে? আমরা জানি, ইতিপূর্বে বহুবার বহুভাবে দেখেছি, হত্যা মামলায় যখন রাজনীতির রং লাগে তখন তা ন্যায় বিচার পায়না। এক্ষেত্রে এমন কিছু না ঘটুক, মূল অভিযুক্তরা কোনভাবে অনুকম্পা বা রাজনৈতিক প্রশ্রয় না পাক, সেটাই সাধারণ মানুষ হিসেবে আমাদের সকলেরই কাম্য হওয়া উচিত।
আসুন সকলে মিলে রাজন-রাকিবদের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে যেভাবে সোচ্চার হয়েছি, তুলসী রানীর ক্ষেত্রেও ঠিক সেভাবেই সোচ্চার হয়ে নির্যাতনকারী হায়েনাদের বিচার নিশ্চিত করি। আর ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যে রেখে যাই এক বাসযোগ্য বাংলাদেশ, কারণ মানবতা এক্ষেত্রে সেটাই দাবি করে।