ক্যাটেগরিঃ প্রকৃতি-পরিবেশ

 

খবরে প্রকাশ বাংলাদেশে ভয়ংকর কার্বন ড্রাই অক্সাইড বাংলাদেশের পরিবেশকে বিপর্যস্ত করছে। বিশেষতঃ বাংলাদেশের সবুজ শান্ত মোহনীয় পরিবেশ দূষিত কার্বন ড্রাই অক্সাইডে পরিপূর্ণ হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশে কয়েক বৎসরের মধ্যে কার্বনের পরিমান ২০.৯% বৃদ্ধি পেয়েছে। যদি এরূপ চলতে থাকে তাহলে আগামী কয়েক বৎসরের মধ্যে বাংলাদেশের বাতাস দূষিত হয়ে মানুষের জীবন ধারণকে অসস্থিকর করে তুলবে।

মূলত বাংলাদেশে বনাঞ্চলের অবস্থান পরিমিত পরিমান অপেক্ষা অনেক কম। বাংলাদেশের বনাঞ্চলের পরিমাণ ২৫% থাকা উচিত কিন্তু বনাঞ্চলের পরিমাণ ৮% এর নিচে আছে। সুতরাং বনাঞ্চল সবুজায়নের পক্ষে পর্যাপ্ত নয় । যে হারে বৃক্ষ কর্তন করা হচ্ছে সে হারে কিন্তু বৃক্ষ উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে না। সুতরাং সবুজায়নের বিস্তিতি পর্যাপ্ত নয়। এছাড়া অপরিকল্পিত ভাবে কলকারখানা বৃদ্ধি পাওয়া ও ইট ভাটা যেখানে সেখানে স্থাপিত হওয়ায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।

untitled-28_53420

পরিবেশ বান্ধব প্রতিষ্ঠানের অভাব সর্বত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। নদীগুলিতে অব্যাহত ভাবে বর্জ্য ও নোংরা ফেলা হচ্ছে। সে কারণে নদী নাব্যতা হারাচ্ছে এবং জলজ উদ্ভিদ বা জলজ প্রাণী সঠিক ভাবে বিকশিত হচ্ছে না। অপরিকল্পিত ভাবে কলকারখানা গুলি গড়ে উঠেছে এবং কলকারখানার বর্জ্য পরিবেশ এবং নিকটবর্তী নদীকে দূষিত করছে। ইট ভাটাতে কয়লা ব্যবহৃত হলেও দূষিত গ্যাস ধোঁয়া পরিবেশকে দূষিত করেছ। আবার কোন কোন ইট ভাটায় প্রশাসনের দৃষ্টি এড়িয়ে কাঠ ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে পবিবেশ মারাত্বক ভাবে কার্বণযুক্ত হচ্ছে আবার বৃক্ষ কর্তনের হার বাড়ছে। গণহারে প্রাইভেট হাসপাতাল, ডায়গনেষ্টিক সেন্টার স্থাপিত হওয়ায় এ সমস্ত প্রতিষ্ঠানের নিকেটবর্তী স্থানে যে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে তা পরিবেশকে দূষিত করছে।

মূল কথা হল আমাদের সবুজ বাংলাদেশকে সবুজায়নে সমৃদ্ধ করতে হলে পরিবেশ বান্ধব কলকারখানা সহযোগি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। সরকার শিল্প মালিক সকলকে সচেতন হয়ে অতিরিক্ত কার্বন ড্রাই অক্সাইড নিঃসরণ প্রতিরোধ করতে হবে। ব্যক্তি মালিকানায় সবুজ নার্সারী ও বৃক্ষের এবং ফলের বাগান করতে হবে। এখনই আমাদের সচেতন হতে হবে।