ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

ছোট ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, তার কাছে প্রশ্ন করলাম; রেজাল্ট কী? জবাবে বলল ৩.৭। বাধ্য হয়ে আবার প্রশ্ন করতে হল ৩.৭ মানে কত? বলল ৮৫-৮৯ নাম্বার পেলে ৩.৭ পাওয়া যাই। কিছুক্ষণ গভীর ভাবে চিন্তা করলাম এবং বাংলাদেশের অনেকগুলো সনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেড পদ্ধতি দেখলাম ” দেখে তে আমার চোখ মাথায় উঠে গেল.। একি অবস্থা! কেউ দেয় ৮০তে এ গ্রেড আবার কেউ ৯০ তে, আবার কেউ কেউ ৯৪ এ। এটাই শেষ নয়! কেউ উপস্থিতির জন্য দেয় ৫ মার্কস, আবার কেউ ১০ মার্কস। শুধু তাই নয় কেউ কেউ পারফরমেন্স এবং উপস্থিতি ৩০ মার্কস (aiub), অন্যদিকে কেউ দুটো মিলিয়ে ৫ মার্কস (brac)।

যাই হউক বাংলাদেশের মঞ্জুরি কমিশনের কাছে একটা প্রশ্ন দিয়েই শুরু করি: যদি এই হয় বাংলাদেশের গ্রেডিং সিস্টেম তাহলে আপনাদের কি উচিত না মাছের বাজারের মত প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রেড তালিকা ঝুলিয়ে দেয়া। যদি ৯০ তে এ পাওয়া একজন ছাত্র ইউজিসি এর কাছে প্রশ্ন করে, আমি কী অপরাধ করলাম? কেন আমার এ পাইতে ৯০ পেতে হই আর অন্যরা ৮০ (primeasia) তে এ পেয়ে যাই। তখন বোধ হয় তাদের জবাব দেওয়ার কোনও রাস্তা খোলা থাকবে না। তাই আমার মনে হই ইউজিসি’র উচিত একটা সুনির্দিষ্ট গ্রেডিং সিস্টেম চালু করা যা সরকারী ও বেসরকারি সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মানতে বাধ্য থাকবে। আর একমাত্র এইভাবেই আমরা পারি আমাদের শিক্ষা পদ্ধতিকে সুন্দর ও সচল করতে।