ক্যাটেগরিঃ দিনলিপি

বেশি দিন আগের কথা নয়, ঢাকা শহরের প্রায় সব গলিতেই আমাদের কদম পড়েছিল। রোদ – বৃষ্টি সব পেরিয়ে খুঁজে বেরিয়েছিলাম সেই স্বর্ণের হরিণটির। মাঝে মাঝে নিজের কাছে প্রশ্ন করতাম আর বলতাম হে আজকের প্রবীণ’ তোমরা কি কখনো নবীন ছিলে না? সেই অমূল্য সম্পদটি আর কিছুই নয় নতুন বাসা। টু-লেট শব্দটি কে মনেপ্রাণে ভালবাসতাম কারণ ইহার মাধ্যমেই শুরু হতো আমাদের সপ্ন পূরণের নতুন মিশন। যত দ্রুত স্বপ্নের ভূমিকা হত তত তাড়াতাড়ি তার পরিসমাপ্তি হতো। তারপর ও আমরা বুক বরা আশা নিয়ে নতুনের সন্ধানে এগিয়ে যেতাম। মাঝে মাঝে অনেক কান্না পেত যখন চিরাচরিত একটি বাক্য বারবার শুনতাম “ব্যাচেলর ভাড়া হবে না”। সব কষ্টের পরে ও কিছু সময় অনেক খুশি হতাম যখন শুনতাম হে ভাড়া হবে: কিন্তু অতি অল্প সময়েই বুজতে পারতাম শুধুমাত্র দ্বিগুণ ভাড়া আদায় এর ফায়দা লোটার জন্যই এই রাজি হওয়া। এইভাবে হাজারো শর্ত মেনে কেউবা দ্বিগুণ ভাড়ায় থাকেন আবার কেউবা কপালগুণে ভাল বাসায় ভাল ভাড়ায় থাকেন। সবশেষে বুক ভরা কষ্ট নিয়ে সেই মানুষগুলোকে যারা বলে “ব্যাচেলর ভাড়া হবে না” তাদেরকে বলতে চাই ….ভাই; “ব্যাচেলররা কি মানুষ নই?