ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

অবাক হয়ে পত্রিকার সংবাদগুলো পড়ি আর হতবাক হই; এ কোন দেশে বাস করি আমি? যে দেশের রাজনীতিবিদেরা হরদম মিথ্যাচার আর পরচর্চায় লিপ্ত থাকে সে দেশের উন্নতি নিছক সপন ছাড়া আমার কাছে আর কিছুই মনে হই না। আমার দেশের রাজনীতিবিদরা সর্ব বিষয়ের উপর ই বিশদ নলেজ রাখেন, বিশেষ করে বিরোধী দলের নেতার লাইফ হিস্টরি তো বাধ্যতামূলক। আমার দেশের মহাজ্ঞানীগুলো হা করে তাকিয়ে থাকে কে কী বলছে তার দিকে আর কোনও ভাবে যদি সুবিধামত একটা কমেন্ট পেয়ে যাই, আর মোটামুটি সেদিন রাতে ত ঘুমানোর প্রশ্নই আসে না..স্টাডি আর স্টাডি…গবেষণার পর গবেষণা। একটাই টার্গেট যেভাবেই হউক ওই কথাটার পাল্টা জবাব আর দাঁত ভাঙ্গা সমালোচনা।

গুণীজনেরা বলে গেছেন, “অল্প বিদ্যা ভয়ংকর” আজ সেই সমস্যায় জর্জরিত আমাদের বাংলাদেশের রাজনীতি। কোনও জিনিস ভালোভাবে না জেনে না বুঝে হুট করে কমেন্ট করে ফেলার প্রবণতা আজ বড্ড বেড়ে গেছে। কষ্ট হই এই ভেবে যে, যে সময়টুকু তারা পরচর্চা আর পরগবেষণায় মগ্ন তাকে তার কিঞ্চিত সময় যদি দেশের মানুষ আর দেশ মাতাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চিন্তায় কাজে লাগাত তবে সপ্ন নয় বাস্তবে আমাদের দেশটা সপ্নপূরী হত। বহুবার লিখেছি এই কথাটা এই যুগে দাড়িয়ে কালক্ষেপনের সময় আমাদের নেই, নোবেল প্রাইজ কে কেন পেল বা পেল না এটা ভেবে কেন আমরা সময় নষ্ট করব? হিলারি বাংলাদেশে এসে বাংলাদেশের যুবকদের সাথে আড্ডাই কেন বসল বা বসল না? আপনি যদি গত ১০ দিনের পত্রিকাগুলো একটু পর্যালোচনা করে দেখেন তবেই বুঝতে পারবেন বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা কী পরিমাণ কথা বলেন এবং কথাগুলুর সাথে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও উন্নতির সম্পর্ক। তাই আমার মনে হই আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের জন্য এমন একটা আইন পাস করা উচিত যাতে এসব লাগামহীন রাজনীতিবিদদের মুখে লাগাম পরে।
_ হাবিব