ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

সহজ স্বাভাবিক মৃত্যুর দুশ্চিন্তা নিয়ে প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠতে হয়। প্রতিদিন যে ঘটনা গুলি ঘটছে সেগুলোর বলি আমরা বা আমাদের অতি আপনজন রাও হতে পারে। না ঘরে না বাহিরে কোথাও আমরা নিরাপদ না। সাগর রুনি বা গুলশানের ব্যবসারই স্ত্রীর মত দুর্ভাগ্য যদি আর ও কারো থাকে তবে নিজ বাসাতেই বরণ করতে হবে ভয়ানক মৃত্যু। আর যদি সাম্প্রতিক হরতালে আগুনে দগ্ধ হয়ে অসহায় ড্রাইভার এর মত মৃত্যু বা তারেক মাসুদ এবং উনার মত যারা প্রায় প্রতিদিন ই সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছেন তাদের মত দুর্ভাগ্য হলে তো কথাই নেই। যেকোনো দিন আমাদের মধ্যেও কোনও একজন এরকম ঘটনার স্বীকার হতে পারি। ভাল ভাবে বেচে থাকার কোনও গ্যারান্টি নেই। তাহলে শেয়ার ব্যবসা বা যারা রেলে চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিয়েছিলেন তাদের মত অবস্থা হতে পারে। কেউ কোনও অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের ড্রাইভার এর মত নিখোঁজ হয়ে যাওয়া অসম্ভব কিছু না। আর গুম ঘটনার আপাতত সর্বশেষ বলি ইলিয়াস আলী এবং তার ড্রাইভার।আমাদের দেশের রাজনীতিবিদরা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছুই বোঝেন না। দুই দলই নির্বাচনের আগে অনেক লোভনীয় প্রতিশ্রতি দিয়ে থাকেন,যার নাম মাত্রই তারা ক্ষমতায় গেলে পূরণ করেন। ক্ষমতায় যাওয়ার পর একটি বিশেষ দল যা করেটা হল সবকিছুর নাম পরিবর্তন করা, তাতে দেশের যত ক্ষতি ই হক না কেন. অবশ্য এই কাজটির কথা নির্বাচন হওয়ার আগে তারা বলেন না,এবং নিজের দিকে না তাকিয়ে অন্যদলের শুধুই সমালোচনা করে যা গঠনমূলক না উসকানিমূলক। এসব উসকানির কারণেই হক আর নিজের ইচ্ছার কারণেই হোক বিরোধীদল হরতালের নামে দেশে জঘন্য কিছু কর্মকাণ্ড ঘটায়ে যদিও ক্ষমতায় থাকাকালীন তারা প্রতিজ্ঞা করে যে বিরোধী দলে গেলেও তারা কখনোই হরতাল ডাকবে না। কিন্তু কোনও দল ই এই কথা রাখেনা। আমরা সাধারণ জনগণ কী শুধু দুই দলের ক্রোধের স্বীকার হব?