ক্যাটেগরিঃ ব্যক্তিত্ব

অধ্যাপক যতীন সরকার। আমার শিক্ষাগুরু। গত ১৮ ই আগস্ট ছিল স্যারের ৭৭ তম জন্মদিন। দীর্ঘ ষোল বছর পর আবার স্যারের মুখোমুখি। এখন বয়সের ভারে তিনি ন্যুব্জ। সারাদিন কাটে “বান প্রস্থ” আপন নিবাসে। স্যারের এখনও সেই লিকার টি পছন্দ। সময় কাটে বই পড়ে, চোখ পরে লিটল ম্যাগেও। নিজে লেখা হয়ে উঠেনা অনু লিখক ছাড়া।

অনেক জমে থাকা আলাপন, স্যারের লেখা “পাকিস্তানের জন্মমৃত্যু দর্শন” নিয়ে অনেক কথা। আমাদের লিটল ম্যাগ, পাঠাগার, আমার বাবার প্রসঙ্গ, কলেজের অধ্যাপনার দিনগুলি। কথা হলো বিদ্যাবল্লভের পল্লীকবি রওশন ইজদানীকে নিয়েও। সম্প্রতি রওশন ইজদানী নিয়ে লিখছি। জোগাড় করেছি অপ্রকাশিত কিছু দুর্লভ পাণ্ডুলিপি, চিঠিপত্র, প্রবন্ধ, ছবি, কাহিনী কাব্য ও সাময়িকপত্রে প্রকাশিত ১৯৪১ থেকে ১৯৬২ সালের দিকের কিছু লেখা।

সময়টা ১৯৯৪-৯৫।

আমি তখন ময়মনসিংহ নাসিরাবাদ কলেজে ১ম বর্ষে পড়ি। যতীন স্যারের সাথে তখনি পরিচয়। স্যার আমাদের বাংলা সাহিত্য পড়াতেন। আমার খুব মনে পড়ে কলেজের লম্বা টিনশেডের কক্ষে আমাদের ক্লাস করাতেন। বাংলা সাহিত্যে যে রসের আশ্বাদন আছে তা আমরা উপলব্ধি করতে পারতাম। ”হৈমন্তী” গল্প পড়ানোর মধ্যে স্যারের যে এক চমত্কারিত্ব ছিল তা আমি আর কোথাও পাইনি।

স্যারের সম্পর্কে আরো জানতে আমার সংকলিত নিবন্ধ “প্রিয় মানুষের প্রতিকৃতি- অধ্যাপক যতীন সরকার” পড়ুন :: লিংক