ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

সংবিধানে যেমন তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করা হয়েছে তেমনি “হরতাল”কেও বাতিল করা উচিত। হরতাল বিষয়ে সংবিধানে একটা অ্যামেন্ডমেন্ট আনা জরুরী ছিল। হরতাল কিভাবে একটা গণতান্ত্রিক অধিকার হতে পারে কোন বিষয়ে প্রতিবাদ করার আমার সেটা বোধগম্য নয়। হরতাল কি দিয়েছে আমাদের? দুটি রাজনৈতিক দলের ফায়দা ছাড়া আর কিছুই না। সাধারন মানুষ শুধু অবর্ণনীয় কষ্টের শিকায় হয় এই হরতালে।

হরতাল উপলক্ষ্যে ১২ হাজার পুলিশ মোতায়ন করা হয় রাজধানীতে। পুরোটাই অনুত্পাদনশীল কাজে এই শ্রমগুলো ব্যবহার করছে।
তাদের লাঠি পেটানো ছাড়া আর কোনই কাজ নেই। আমরা কখনোই হরতাল সমর্থন করিনা।গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতায় যা দেখেছি তা হল বিরোধী দল কোন একটা ছুতো পেলেই হরতাল ডাকে,এবং তা হয় পুরোটাই তাদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য। তারা কেউই জনগনের কথা ভাবেনা। এই হরতাল সংস্কৃতি আর কতদিন চলবে?

আমার মতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বহাল রেখে আবার “মাইনাস টু ফর্মুলা” প্রয়োগ করা উচিত। দুই নেত্রীর কাউকেই সোনার বাংলা গড়ার প্রয়োজন নাই।