ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

আজ সকালে সাউথ কোরিয়া থেকে আমার কাজিন আমাকে একটা কমেন্ট করে আমার ফেসবুকে। বাংলাদেশের পারিপার্শ্বিকতা দেখে এতোটাই বিরক্ত যে, অনেক দূরে থেকেও প্রতিনিয়ত খবর নেয়। কথা হচ্ছিল তার সাথে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় বাচ্চাদের সফলতা নিয়ে। বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের প্রত্যন্ত অঞ্চল গুলোর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোর অবস্থা, পড়াশোনার মান খুবই নাজুক পর্যায়ের যা আমরা সরেজিমনে ঘুরে দেখেছি। অধিকাংশ ক্ষেেএ নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদেরই নূন্যতম কমপিটেন্সী নেই…তারা আবার শিশু/ ছেলে মেয়েদের কি কমপিটেন্সী অর্জন করাবে। তবে আশার কথা ছোটদের পরীক্ষায় আবারও বড় সাফল্য এসেছে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এবার উত্তীর্ণের হার ৯৭ শতাংশের ওপরে। পরীক্ষা প্রচলনের তৃতীয় আসরে এসে পাসের হার গত বছরের চেয়েও ৩ শতাংশ বাড়ল। গত বছর পাসের হার ছিল ৯২.৩৪ শতাংশ। আগের বছর ছিল ৮৮.৮৪ শতাংশ। ৪৭০ টি বিদ্যালয় তাদের শিশুদের আলোর মুখ দেখাতে পারেনি।

প্রাইমারী স্কুলের বাচ্চারা তো আওয়ামী কি, বাকশাল কি, বিএনপি কি, দলবাজী কি তা বুঝেনা। এরা ১০০% ইনোসেন্ট….প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় এরা ভালো রেজাল্ট করেছে…এই ১০০ ভাগ ছিল আমাদের সুবিধা বন্চিত বাচ্চাদের কৃতিত্ব…

নির্বাচিত সরকার গুলো দলীয়করন না করেছে কোন জায়গায় সেটা বলো। তারা পাবলিক সার্ভিস কমিশনেই নয়..প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্থর থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকার পর্যন্ত ….ডিজিটাল বাংলাদেশে আমরা এতাটা ডিজিটাল হয়ে গেছি যে, সোনার বাংলায় নাম পরিবর্তনের সংস্কৃতি চালু করে দিয়েছি।একটা পাবলিক টয়লেট কেও আমরা রেহাই দেইনি….।

…আমরা “যেই লাউ- সেই কদু’র” দেশে আছি। তবে …আমাদের শিশুরা তো দলাদলি করেনা…।

আমাদের রাজনীতির সংস্কৃতি যেভাবে কলুষিত হচ্ছে, আগামী কয়েক দশক পরে “রাজনীতি” শব্দটি অভিধানে একটা নেতিবাচক অর্থ তৈরি করে নেবে।

কোন সহনশীলতা নেই, কারও প্রতি নূন্যতম সম্মানবোধ টুকু নেই। বাংলা সিনেমার মতো বাজে বাজে মন্তব্য শুনি মিডিয়া গুলোতে, জবানদিহিতা নেই, চারপাশে ধর-মার, কাট কাট অবস্থা।