ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

 

ছবিঃ ইন্টারনেট থেকে।

অবশেষে টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে ঘোষিত হল দেইল্লা রাজাকার বলে কুখ্যাত, অতিসম্প্রতি “মেশিনম্যান” খেতাবপ্রাপ্ত আল্লামা(?!!!) দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের রায়। তার ঘৃণ্য আর নৃশংস অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির রায়ে দেশ যেন কলংকমুক্ত হবার দিকে এক ধাপ এগিয়ে গেল।

এমন কোনও কুকর্ম নেই যা এই দেইল্লা করে নাই। একাত্তরে খুন, ধর্ষণ, হিন্দুদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা,তাদের বাড়িঘর জোরপূর্বক দখল করা এবং তাদের সম্পত্তি লুট করা ছাড়াও স্বাধীনতার পরও সার্টিফিকেট জালিয়াতি, ইসলামের বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয়ে উল্টাপাল্টা ব্যাখ্যা দিয়ে ধর্মকে কলঙ্কিত করা, ঘরে বউ থাকতেও অন্য মেয়েদের সাথে নোংরা সম্পর্ক স্থাপন কী করে নাই এই লোকটা!!একবার কেন শতবার ফাঁসি দিলেও যেন তার অপরাধের যথোপযুক্ত শাস্তি হবার নয়।

ভানু সাহা, শেফালী ঘরামী, মহামায়া, অন্ন রানী, কমলা রানী এবং নাম না জানা সেইসব বীরাঙ্গনা মা যারা এই সাঈদী নামক নরকের কিট দ্বারা পৈশাচিক বর্বরতার শিকার হয়েছিল, আজ আমরা কিছুটা হলেও তাদের কাছে দায়মুক্ত হতে পেরেছি।

রাজাকার সাঈদীর কারণে গণহত্যা ও নির্যাতনের শিকার সেই সব শহীদ পরিবাবের কাছে আজ আমরা মাথা উঁচু করে বলতে পারব, বীর শহীদের রক্তের সাথে আমরা বেইমানী করিনি।রক্তের ঋণ শোধ করেছি ঘাতকের ফাঁসির বিনিময়ে।

বাংলার পবিত্র মাটিতে দেইল্লার ফাঁসি কার্যকর হবেই হবে, তবে ওকে সমাধিস্থ করা হোক তার পেয়ারা ওয়াতন পাকিস্তানে।

বিয়াল্লিশ বছরের অপেক্ষার পর পাপমুক্তির আনন্দে আপাতত “তোরা সব জয়ধ্বনি কর।”