ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

গণতন্ত্র আর সংবিধান মেনে এক একটি রাজনৈতিক দল বাংলার মাটিতে ভূমিষ্ট হয়। তাদের মাতা-পিতারা লালন পালনের মাধ্যেমে বড় করে দলটিকে আমাদের কাছে পৌছায়। আমরাও তাদের সাদরে গ্রহণ করি। তাদের পূজা করি। কোন এক সময় আমাদের ভক্তি শ্রদ্ধা এত বেশি হয়ে যায় নিজেরাই নিজেদের হুশ জ্ঞান হারিয়ে পেলি। এত বেশি ভালবাসা এত বেশি ভাললাগা। এর বেশির ভাগ প্রভাব পড়ছে আমাদের ছাত্র সমাজের উপর। কারণ তাদের বয়সটাই এরকম। যে যা বলে তাই ভাল লাগে। আসলে সব কথায় রস আছে কিন্তু রসের তৃপ্তি নেই। যা বুঝার ক্ষমতা আমাদের ছাত্র সমাজের হয়ে উঠে না। তাই একাই ভালবাসতে থাকে। আর প্রিয় দলের কোন ত্রুটি অন্য কেউ তুলে ধরতে চাইলেই, তাকে আর ঠেকায় কে! শুরু হলো হানাহানি-মারামারি।

কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী হয়েও তারা রাজনৈতিক জ্ঞানশূন্য মস্তিক নিয়ে রাজপথে হামাগুড়ি দিয়ে বেড়াচ্ছে অযথা। তর্ক-বির্তক আর কথা কাটাকাটিতে তো রাজনীতি হয় না! সুষ্ঠু ইতিহাস না জেনে বির্তকে জড়ালে হানাহানি হবে এটাই স্বাভাবিক। আমি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে বলতে পারি বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় ৬০% ছাত্র ৮০% সাধারণ জনগণ বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কে না জেনে রাজনীতির খাতায় নাম লিখায়। যার কারণে তাদের একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকেনা। যেসব দলগুলো দেশের মুকুট পড়ে বার বার, সেসব দলের নেতারা কি সঠিক শিক্ষা দিতে পারে না? নাকি তাদেরও শিক্ষার অভাব রয়েছে ? তারা সরকার গঠন করে কি শুধু নিজস্ব কিছু বাহিনী তৈরী আর কিছু দল সৃষ্টি করার জন্য? যা সাধারণ জনগণ হয়ে আমরাই বুঝে উঠতে পারিনা।

এসব আর কত দেখতে হবে আমাদের। এবার পরিবর্তন করুন আপনাদের ধ্যান-ধারণা। জাতিকে শিক্ষিত হতে সুযোগ দিন যাতে দেশ পরিচালনায় আপনাদের মত অযোগ্যতা না দেখাতে হয়।