ক্যাটেগরিঃ খেলাধূলা

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেইসবুক এখন বিশেষ ব্যক্তি ছেড়ে সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে। পরিসংখ্যান করলে দেখা যাবে শতকরা ষাট জনের অধিক বাংলাদেশী নাগরিক ফেইসবুক সম্পর্কে অবগত। ব্যক্তিগত মতামত, সামাজিক দায়বদ্ধতা সহ স্ব স্ব অঞ্চলের ভালো মন্দ বিভিন্ন সংবাদ, ছবি মুহূর্তেই পোস্টে জানান দিতে প্রস্তুত সকলে। ঐ সব পোষ্ট গুলো থেকে ব্যক্তি সচেতনতা থেকে শুরু করে সামাজিক এমন কি জাতীয় স্বার্থেও কাজে লাগছে। এক কথায় বলা যায় ফেইসবুকও এক ধরণের গণমাধ্যম আর যেখানে লক্ষ লক্ষ সংবাদ কর্মী কাজ করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। ঐসব কর্মীদের পোষ্ট থেকে ভাল সংবাদের যেমন সবাই সাধুবাদ জানায় তেমনি অপরাধ কর্মের বিরোধে সোচ্চার হয়ে উঠেন সবাই। এটি অবশ্যই একটি পজেটিভ দিক। এমনও দেখা যায় সংবাদ মাধ্যম ও অনলাইন নিউজ গুলো সংবাদ প্রকাশের আগে ফেইসবুকে ছবি ও তথ্য প্রচার করেন ফেইসবুক কর্মীরা। ধর্ষণ হত্যার মত জঘণ্য অপরাধের বিরোধে প্রতিরোধ গঠে তুলতে সংবাদ মাধ্যম থেকেও ফেইসবুকের কর্মীরা বেশি গুরুত্ব রাখছে বলে আমি মনে করি।

বেশি দূর যাবো না গতকালকের একটা উদাহরণ দিয়ে শেষ করবো- বিকেলে ফেইসবুক পেইজে একজন বন্ধুর পোস্ট করা ভিডিও চিত্র দেখে হতাশ হলাম। আমাদের জাতীয় দলের ক্রিকেটার তামিম কিভাবে একজন ভক্ত দর্শকের দিকে চওড়া হয়ে ক্ষেপেছে। শুধু তাই নয় গাল মন্দও করছে। হতাশার সাথে দীর্ঘশ্বাস ছাড়লাম ওহ! এ আমাদের গর্ব! কিন্তু আজ একটি অনলাইন নিউজে দেখলাম ঐ ভিডিও চিত্রের উপর একটি নিউজ প্রচার করা হলো। যাতে তামিমের ঐ প্রত্যাশিত আচারণের নিন্দা করা হলো। তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের গভর্নিং কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক আইএইচ মল্লিক বলেন, “তামিম কী করেছেন সেটা আমরা জানতাম না। একজন সাংবাদিকের ফোন পেয়ে বিষয়টি জেনেছি। আমরা এখনো স্পষ্ট জানি না, তিনি কী করেছিলেন। আমরা ফুটেজ চেয়েছি। শিগগির তামিমকে ডাকা হবে, আমরা তার ব্যাখ্যা শুনবো।”

বিষয়টি আসতো না যদি ফেইসবুকে ঐ ভিডিও চিত্র প্রদর্শন না হতো। এই ভিডিও চিত্র প্রদর্শনকারীকে ধন্যবাদ জানাই এই জন্য যে, মানুষকে সচেতন করে তোলা ও বাস্তবতার সামনে তামিমকে দাঁড় করানো জন্য।