ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

আজকের সব গুলো অনলাইন নিউজের শিরোনাম শিবিরের কর্মী দ্বারা আহত হয়েছে পুলিশ কর্মকতা। বিডিনিউজ২৪.কম এর শিরোনাম- ”জামায়াতকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ বলেছে এফবিসিসিআই” ও ”মতিঝিলে জামায়াতের হামলা-ভাংচুর” । বাংলা নিউজ ২৪.কম এর শিরোনাম- ”রাইফেল কেড়ে নিয়ে পুলিশকে পেটালো শিবির” ও ”জামায়াত-শিবিরের তান্ডব”

খবরে উল্লেখ্য করা হয়, সাতক্ষীরায় পুলিশের রাইফেল কেড়ে নিয়ে পুলিশকে বেধড়ক পিটিয়েছে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা। এতে সাত পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়াও চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল বাজারে জামায়াত-শিবির কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ১০ পুলিশসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। মতিঝিলে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আটক নেতাদের মুক্তি দাবিতে জামায়াতে ইসলামী কর্মীরা সকালে মতিঝিলে বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের ওপর চড়াও হয়। এফবিসিসিআই বিক্ষোভ কারীদের ‘একটি সন্ত্রাসী সংগঠনের’ বলে উল্লেখ করে। এ সময় সংঘর্ষে অন্তত ২১ পুলিশ আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মতিঝিল, পল্টন ও শাহজাহান থানা পুলিশ অন্তত ৫০ জনকে আটক করেছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জামায়াত-শিবিরের মিছিলে পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে মিছিলকারীরা পুলিশের ওপর হামলা ও পুলিশের পিকআপ ভ্যান ভাঙচুর করে।

‘যত দোষ নন্দ ঘোষ’ দেশে যত অরাজগতার মূল এই জামায়াত-শিবির! বাকি সবাই ধোয়া তুলসি পাতা। এমন যদি হয় আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি তবে কি হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ? যখন মুখ খুলে উচিত কিছু বলতে চাই তখন কেউ কেউ আমাকে ….. চিহ্ণিত করে। খুব কষ্ট লাগে। ঐ সব ব্যক্তিবর্গের দৃষ্টিভঙ্গি দেখে। রাজনীতি করতে করতে বুড়ো হলো বলে এখনো দৃষ্টিভঙ্গিটাই পরির্বতন হলো না, যারা এমন মনে করেন তারা ভেবে দেখবেন তবে কি দিয়েছে এই রাজনীতি আপনাকে?

দু’ চারটা কথা বলতে মাঝে মাঝে মন চায় কিন্তু মনের ভয়। বলতে পারিনা। আবার ভাবি আজ আর কাল সব তো এক বলেই দিই এতেই ভাল!

যে বিষয়টি বলতে চাই, বর্তমানে পুলিশ ও জামায়াত শিবির একে অপরের শত্রুতার সম্পর্ক। আর এই সম্পর্কের গভীরতা এতোই যে কেউ কাউকে ছাড়তে রাজি না। না পুলিশ, না জামায়াত শিবির। কারণ জামায়াত শিবির বা বিএনপি যদি হরতাল অবরোধ বা মিছিল মিটিং এর ডাক দেয় এতেই পুলিশের নানা পদক্ষেপ টিয়ার গ্যাস, লাঠি চার্জ পারলে গুলি বর্ষণ। যাবে কোথায় ওরা? প্রতিপক্ষে কখনও দূর্বল ভাবতে নেই। একথা সবাই জানে। তবে কি জেনে শুনে কেউ চুপ মেরে ঘরে বসে থাকে। নাকি প্রতিপক্ষের জবাব দিতে প্রস্তুতি নেয় সবাই ! ঐ সম্পর্কের সম্পৃক্ত আত্মীয়রা এখন একে অন্যের মেহমানদারীতে প্রস্তুত। তাই আজকের এই নিউজের আর্বিভাব। সত্যিই দুঃখজনক।

একটি বিষয় যোগ করছি, বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদকে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা) দেয়ার পর তার পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, ‘বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুককে মারধর করার পুরস্কার হিসেবেই তাকে পদক দেয়া হয়েছে।’ এ ব্ক্তবের প্রসঙ্গ থেকে বুঝা যায় পুলিশ বাহিনীকে ইন্দন দিলো তিনি, তারা যেন এর চেয়েও বেশি কিছু করে বসে। আর এরপর আজকের ঘটনা। যা কেউ আশাই করে না।

সত্যি বলতে এতো এই, এক হাতে তালি বাজে না। আর আপনাকে কেউ আঘাত করলে আপনি যে তাকে আদর করবেন এমনও তো নয়। তবে কিভাবে শুধু জামায়াত শিবির কে দোষারপ করে এত সব সংবাদ প্রচার, কার স্বার্থে হচ্ছে এসব ? বেপোরোয়া হয়ে হাঙ্গামা করছে কারা? তাহলে কি বুঝতে হবে পুলিশ মানুষ পিটিয়ে পদক চায়, যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রালয় থেকে প্রদত্ত ?

হয়তো এই লিখাটি পড়ে অনেকে প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে মন্তব্য করে বসবেন ‌‌” এ ও এক ……”। তাই আপনাদের বলছি, আমরা গণতন্ত্রের দাবিদার। আমাদের বলার অধিকার আছে এবং আমরাই বলতে হবে। কারণ সুবিধাবাদীদের দল এখন ভারি হচ্ছে, আর হালকা হচ্ছে প্রতিবাদীদের দল। তাই আওয়াজটা আমাদের কেউ তুলতে হবে। কারণ আমরা বাংলাদেশটাকে শান্তির নগরী দেখতে চাই। অশান্ত নয়! যারা আজ আমাদের মা আর মাটিকে সম্মানের স্থানে অসম্মান করছে তাদের বিচার এই বাংলার মাটিতেই হবে। শুধু সময়ের অপেক্ষা আজ না হয় কাল।