ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

রাজধানীতে ডিএমপির ৯ হাজার ৫৩৩ জন পোশাকধারী ফোর্স এবং এক হাজার রিজার্ভ ফোর্সসহ প্রায় ১৬ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়। এ ছাড়া টহলে থাকছে র‌্যাবের প্রায় দুই হাজার সদস্য। রাস্তার মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়েছে জলকামান, রায়টকার, টিয়ার শেল গান, প্রিজন ভ্যান এবং আর্মস ফোর্স ও দাঙ্গা পুলিশ। রাস্তায় নামানো হয়েছে বিশেষায়িত বাহিনী সোয়াট টিমের সদস্যদের। ডিবির বোম ডিস্পোজাল ইউনিট, বিভিন্ন সংস্থার গোয়েন্দা ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়। পুলিশের পক্ষ থেকে নির্দেশ রয়েছে- ঝটিকা মিছিল, বোমাবাজি কিংবা যানবাহন চলাচলে বাধা দেয়ার চেষ্টা করলেই লাঠিচার্জ, পিপার স্প্রে, টিয়ার শেল, গ্রেনেড গ্যাস ও রাবার বুলেট ছোঁড়ার।

একদিকে কাদের মোল্লার মামলার রায়, অন্যকে হরতাল! শংকা বেড়েই চলছে। রাতভর বসে বসে ভাবছি। ভাবছি আর অস্থির মন কে প্রশ্ন করছি, কি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে! আজ কি হবে বাংলাদেশের ‌’কাল’ ?

গতকাল জামায়াত-শিবির খুব শান্তিপূর্ণ মিছিল ও সভা করেছে। পুলিশও তাদের সহযোগিতা করেছে। মিছিল শেষে পুলিশকে রজনীগন্ধা উপহার দেয়ার বিষয়টি খুব ভালভাবেই কাভার দিয়েছে পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলগুলো। এতে শান্তির আভাস ফেলেও আজ যা হতে চলেছে তথা দুটি সিদ্ধান্তে দেশ। এক কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে ট্যাইব্যুনালের রায়। অন্যদিকে জামায়াত-শিবিরের হরতাল। সর্বোচচ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। মোতায়ন কার হয়েছে অধিক পোর্স। পুলিশের একাধিক সূত্র নির্দেশ দিয়েছে শিবির পেলেই গ্রেফতারের। কিন্তু জামায়াত-শিবির কি থেমে যাবে এতে? তারা কি হরতালে আসবে না? সংর্ঘষ কি একেবারেই হওয়ার নয়? নাকি অধিক সংর্ঘষের আশঙ্কা। হতা-হত হবে! লাশ পড়বে! হয়তো লাশের মিছিলে ভেসে যাবে দেশ!

এসব স্পর্শকাতর প্রশ্ন শুধুই ভাবিয়ে তুলছে। কি হতে যাচ্ছে? কি হবে? তবে কি আজ বাংলাদেশের ‘কাল’ ?