ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

কে পেয়েছে বিজয়? আর কে পাবে বিজয়? আমরা কার ডাকে সাড়া দেবো ???

উত্তাল বাংলা! মানি না, মানবো ! রাজপথ ছাড়বো না! ফাঁসি আদেশ দিতেই হবে! সর্বত্র রাজাকারের ফাঁসি চাই শ্লোগান। গণতন্ত্রের দাবিতে নুর হোসেন শরীরে লিখেছিল ”স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্রর মুক্তি পাক”। একুশ শতাব্দিতে এসে ঐ শ্লোগান হলো ”রাজাকারের ফাঁসি চাই”। আবার ”জ্বলবে আগুন হাসিনার গদিতে”। আমাদের রক্ত বিন্দু প্রতিবাদী হয়ে উড়েছে। রাজপথে প্রতিবাদে নেমেছি আমরা। তবে আমার কথা হচ্ছে কে পেল বিজয়, আর কে পাবে বিজয়?

নুর হোসেনের কথা জাতি যুগ যুগ স্মরণ রাখতে বাধ্য কারণ নিঃস্বার্থে প্রতিবাদ করেছে দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য। আবার জাতির ইতিহাসে স্মরণীয় হবার সুযোগ এসেছে তাই আবার শ্লোগান, মিছিল-অবোরোধ। লাশ পড়ছে রাজপথে! আগুন জ্বলছে! কি পাচ্ছি আমরা এসব থেকে? এতে কি আমাদের শান্তি ফিরে পাবো! না নিজের হাতে শান্তিকে কবর দিচ্ছি? দেশে বসে যারা এসব করছেন তারা হয়তো ভাবতেই পারেন আপনারা যা করেন ভালর জন্য করেন কিন্তু আমরা যারা প্রবাসে বসে আপনাদের কার্যকলাপ দেখি আর বিদেশিদের মুখে আপনাদের দূরপ্রশংসা শুনি তখন নিজেদের খুব লজ্জিত জাতি মনে হয়। তবুও দেশর সম্মানে এতটুকু আঘাত আসুক আমরা চাইনা।

বিচারবিভাগের জ্ঞান নেই না সরকারের? দুটোই এখন বির্তকিত ইস্যু মনে হচ্ছে। তবুও বলবো আমরা শান্তি চাই, গণতান্ত্রিক দেশে গণতন্ত্রের মুক্তি চাই। শুধু শরীরের লিখে আর হাউ মাউ করে চিৎকার করলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় না এটা সবাই জানে। তাই এ নিয়ে বাড়াবাড়িতে যাবো না।

দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠায় সকলের একতা আশা করছি। কারণ আমরা বিজয় চাই, গণতান্ত্রিক বিজয়।