ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

ধূমপানের কারণে অনেক রোগ হয়। মানবদেহে ক্যান্সার রোগের প্রধান কারণ এই ধূমপান। ‘ধূমপান স্বাস্খ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর’ এ কথাটি কমবেশি সবারই জানা। তার পরও অনেকে ধূমপান করেই চলেছেন। ইদানীং মেয়েদের প্রকাশ্যে ধূমপানের দৃশ্য চোখে পড়ার মতো। তারা অবসরের ফাঁকে ফাঁকে বন্ধুবান্ধবীকে নিয়ে তামাকজাত দ্রব্য সেবন করেন। প্রায় বছরখানেক আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে ‘ধূমপানমুক্ত’ ঘোষণা করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি।

অন্য দিকে প্রকাশ্যে কেউ ধূমপান করলে তার জরিমানা নির্ধারণ করে অষ্টম জাতীয় সংসদে একটি আইনও পাস করেছিল বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। এসরের তোয়াক্কা না করে চলছে প্রকাশ্যে ধূমপান। স্বাস্খ্যবিধি ভালোভাবে জানা সত্ত্বেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩.৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী ধূমপায়ী। তাদের মধ্যে শতকরা ৪৪ ভাগ ছেলে ও চার ভাগ মেয়ে। উচ্চ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেরা নিুবিত্তদের চেয়ে বেশিমাত্রায় ধূমপায়ী। আর্থিক সচ্ছলতা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত এমন পরিবারের মেয়েরা বেশি ধূমপায়ী হয়ে থাকেন। সবচেয়ে বেশি ধূমপায়ী হন চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অষ্টম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: এমরান হোসাইনের তত্ত্বাবধানে গবেষণা পরিচালনা করেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রোকনুজ্জামান খসরু, রাজু আহমেদ, সোনিয়া ফেরদৌসী, আমির হামজা ও রুহুল করিম।

ধূমপানের কারণ : ধূমপানের কারণ হিসেবে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে, ৬৩.৮৪ শতাংশ শিক্ষার্থী বিশেষ কোনো কারণ ছাড়াই ধূমপান করে থাকেন। আর ২৩.০৭ শতাংশ শিক্ষার্থী ধূমপান করেন হতাশার জন্য। এ ছাড়া ৯.২৩ শতাংশ বলেছে কৌতূহল এবং ৩.৮৪ শতাংশ বলেছে স্মার্টনেস বাড়াতে তারা ধূমপান করেন।

ধূমপায়ীদের পছন্দ : গবেষণা জরিপে উল্লেখ আছে, পুরো কাম্পাসে প্রতিদিন প্রায় তিন লাখ ৬৮ হাজার ৩০৫ টাকা ধূমপানের পেছনে ব্যয় করেন ধূমপায়ীরা। ধূমপায়ীদের ৬১ শতাংশ ব্র্যান্ড হিসেবে বেনসন অ্যান্ড হ্যাজেজ সিগারেট ধূমপান করে। আর্থিক দিক বিবেচনায় অনিচ্ছায় সত্ত্বেও ৩৩.৮৪ শতাংশ ব্যবহার করেন গোল্ড লিফ, ৩.৮৪ শতাংশ পালমাল ও ১.৫৩ শতাংশ নেভি ব্র্যান্ডের সিগারেট কিনে থাকেন।

জরিপের ধরন : জরিপে আরো উল্লেখ আছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩২ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে অনার্স প্রথম বর্ষ থেকে চতুর্থ বর্ষ পর্যন্ত সব অনুষদ থেকে নমুনা হিসেবে ৩০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে এ গবেষণা জরিপ চালানো হয়। তাদের মধ্যে ২৪৭ জন ছেলে ও ৫৩ জন মেয়ে শিক্ষার্থী। দেখা গেছে, ৩০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৩০ জন ধূমপায়ী। ১৭০ জন বা ৫৬.৬৬ শতাংশ অধূমপায়ী।

ধূমপায়ীর পরিসংখ্যান: এই জরিপ পরিচালনার সময় পুরো ক্যাম্পাসকে পাঁচটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়। এতে দেখা গেছে, ছেলেদের মধ্যে চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ধূমপায়ী। এখানকার ৮৩ শতাংশ শিক্ষার্থী ধূমপান করেন। এর পরের অবস্খানে রয়েছেন বাণিজ্য অনুষদের শিক্ষার্থীরা। এখানকার ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী ধূমপায়ী। এ ছাড়া কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ৭২ ভাগ, কার্জন হল এলাকার বিজ্ঞান অনুষদের ৪৮ ভাগ, এনেক্স ভবন এলাকার ৪৭ ভাগ এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২৮ ভাগ শিক্ষার্থী ধূমপান করেন বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্য দিকে মেয়েদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ৬৬ ভাগ চারুকলার ছাত্রী, ১৫ ভাগ বাণিজ্য বা বিবিএ ফ্যাকাল্টির এবং শতকরা তিন ভাগ কলা ভবনের ছাত্রীরা ধূমপায়ী।
জরিপে দেখানো হয়েছে, ৫৮ শতাংশ ধূমপায়ীই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগেই ধূমপান শুরু করেন। আর ৪১.৫৩ শতাংশ শুরু করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর। এ ছাড়া ৪৭ শতাংশ ধূমপায়ী তাদের বìধুদের প্রভাবিত হয়ে, ৩১.৫৩ শতাংশ পরিস্খিতির শিকার, ১৪ শতাংশ পরিবারের সদস্য ও ৭.৬৯ শতাংশ তাদের কোনো আত্মীয়স্বজনের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ধূমপান করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর প্রথম বর্ষের ২৩.৩৩ শতাংশ, দ্বিতীয় বর্ষের ২৬.৬৬ শতাংশ, তৃতীয় বর্ষের ৩৩.৩৩ শতাংশ ও চতুর্থ বর্ষের ৪৬.৬৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ধূমপান করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের সাথে যুক্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৯ দশমিক ২৯ শতাংশ ধূমপায়ী। তাদের মধ্যে ছেলে ধূমপায়ী ৯৬.৬৬ শতাংশ ও মেয়ে ৩.৩৩ শতাংশ।

ধূমপানের পেছনে ব্যয় : গবেষণা জরিপে আরো উল্লেখ আছে, ধূমপায়ীদের ৪৬.১৫ শতাংশ তাদের ধূমপানের পেছনে দৈনিক ব্যয় করেন ১০ থেকে ২০ টাকা। ২৩ শতাংশ ব্যয় করে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ১৯.২৩ শতাংশ ২০ থেকে ৩০ টাকা ও ১১.৫৩ শতাংশ ৫০ থেকে ৯০ টাকা দৈনিক ব্যয় করেন।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য : এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম খান বলেন, ঘোষণা দিয়ে আসলে ক্যাম্পাসকে ধূমপান মুক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি বলেন, বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে ধূমপান করেন। অনেক ফেরিওয়ালাও ক্যাম্পাসে সিগারেট বিক্রি করে। তাদের প্রতিরোধ করতে মোবাইল টিম কাজ করেছে বলে প্রক্টর নয়া দিগন্তকে জানান। তবে ধূমপানমুক্ত ক্যাম্পাস গড়তে সব ছাত্রছাত্রীর প্রতি তিনি এ বিষয়ে পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান।
সূত্র: http://www.dailynayadiganta.com/2011/03/05/fullnews.asp?News_ID=265337&sec=2

ঢাবি ছাত্রীদের মাদক সিন্ডিকেট
শম্পা ইসলাম: সন্ধ্যা ছয়টা। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক তালগাছের নিচে গিয়ে বসে দুই যুবক-যুবতী। কিছুক্ষণ ঘনিষ্ঠভাবে বসে তারা। এরপর যুবকটি একটি সিগারেট ধরায়। টানে আপন মনে। যুবতী সাইড ব্যাগ থেকে এক বোতল ফেনসিডিল বের করে। একটানে খেয়ে ফেলে অর্ধেক। বাকি অর্ধেক তুলে দেয় যুবকের হাতে। যুবতী কিছুক্ষণ মাথা কাত করে শুয়ে থাকে যুবকের কোলে। প্রায় আধাঘণ্টা পর উঠে পরে দু’জন। যু্‌বকটি মোটরসাইকেল স্টার্ট দেয়। যুবকের পেছনে বসে ওই যুবতী। মোটরসাইকেল একটানে পৌঁছে যায় শামসুন্নাহার হলের গেটে। যুবতী হলের ভেতর ঢুকে পরে। যুবকটি মোটরসাইকেল ঘুরিয়ে চলে আসে টিএসসির দিকে।

রাত আটটা। শাহবাগের ‘ছবির হাটে’র পাশে চলছে বাউল গানের আসর। এর কিছু দূরে দেয়াল ঘেঁষে বসে আছে দুই যুবতী ও এক যুবক। যুবকটি সিগারেটের ভেতর গাঁজা ঢুকিয়ে তুলে দেয় যুবতীর হাতে। তিনজনই আপন মনে টানে গাঁজাভর্তি সিগারেট। অনেকক্ষণ বুঁদ হয়ে বসে থাকে তিনজন। তাদের কিছু দূরে বসে থাকা একজন জানান, এরা তিনজনই চারুকলার শিক্ষার্থী। এরা গাঁজা খেয়ে ধ্যান করে, গল্প করে চলে যায়।

সূত্র জানায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, টিএসসি, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, চারুকলার আশপাশ এলাকায় প্রায়ই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের মাদক সেবন করতে দেখা যায়। প্রেমে ব্যর্থতা, পারিবারিক কলহ, অন্যের দ্বারা প্রভাবিত ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির শিকার হয়ে এরা মাদকের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে। আবার অনেকে শখের বশে ও বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে অতিআধুনিক সাজতে গিয়েও মাদকের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে।

ঢাকা বিশববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল, রোকেয়া হল ও বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে প্রায়ই তাদের হলের ছাদে, বাথরুমে, বারান্দায়, সিগারেটের প্যাকেট, ফেনসিডিলের খালি বোতল ও গাঁজার পোটলা পাওয়া যায়।

শামসুন্নাহার হলের এক ছাত্রী জানান, মাদকাসক্ত বেশির ভাগ ছাত্রী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সাধারণ ছাত্রীদের মধ্যে কেউ কেউ প্রেমে ব্যর্থ হয়ে কিংবা নিজেকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরে নেশাগ্রস্ত হচ্ছে। আরেক ছাত্রী বলেন, পলিটিক্যাল মেয়েদের কাছে হলের সাধারণ ছাত্রীরা অসহায়। এরা প্রকাশ্যে মাদক সেবন করলে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না।
রোকেয়া হলের এক ছাত্রী বলেন, হলের আবাসিক শিক্ষক ছাত্রীদের মাদক সেবন সম্পর্কে অবগত হলেও বাইরের জানাজানির ভয়ে তারা কোন তথ্য ফাঁস করতে চান না। এছাড়া মাদকাসক্ত অনেক ছাত্রী রাজনীতিতে জড়িত থাকায় আবাসিক শিক্ষকরা তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়ার সাহস পান না।

সূত্র মতে- শামসুন্নাহার হলের দুই নেত্রী, রোকেয়া হলের দুই নেত্রী ও বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের এক নেত্রী ছাত্রীদের মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে। তাদের শেল্টার দিচ্ছে কেন্দ্রীয় এক নেত্রী ও একাধিক ছাত্রনেতা। ওই সিন্ডিকেট বিভিন্ন আবাসিক ছাত্রী হল, চারুকলা ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে সুলভে মাদকদ্রব্য পৌঁছে দিচ্ছে। রোকেয়া হলভিত্তিক একটি সিন্ডিকেট পাশের ইডেন মহিলা কলেজ, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, ও বদরুন্নেসা কলেজে মাদক বিক্রি করে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের সহযোগিতা করে হলগুলোর একাধিক মহিলা কর্মচারী।
ক্যাম্পাসে মেয়ে মাদকসেবীদের মধ্যে বেশির ভাগ চারুকলারই ছাত্রী। তারা প্রকাশ্যে চারুকলার সামনে ও আবাসিক হলে মাদক সেবন করে। তাদেরকে চারুকলার ভিতর ও বাইরে ছেলেবন্ধুর গায়ে হেলান দিয়ে বসে সিগারেট ও গাঁজা সেবন করতে প্রায়ই দেখা যায়।

চারুকলার একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছে, নেশাকে এখানে প্রগতিশীলতা বলে গণ্য করা হয়। এখানে কেউ বাধা দেয় না। সন্ধ্যার পর চারুকলায় ব্যাপক আকারে বসে মাদকের আড্ডা। গভীর রাত পর্যন্ত চলে মাদকের আড্ডা। সন্ধ্যার পর চারুকলার নির্দিষ্ট আইডি কার্ডধারী ছাড়া অন্য কেউ প্রবেশ করতে না পারায় অনেকটা নিরাপদেই চলে মাদক সেবনের আসর।
সূত্র জানায়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, গাউসুল আজম মার্কেট, চানখাঁরপুল, বকশীবাজার মোড়, আজিমপুর মেটার্নিটি হাসপাতাল, আজিমপুর কলোনি এলাকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বর, ঢাকা মেডিকেল কলেজের গেইট, শহীদ মিনার, টিএসসি সংযোগ সড়কসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি স্থানে সন্ধ্যার পর থেকে মাদক বিক্রি হয়। রিকশাচালক, চা বিক্রেতা এবং বিভিন্ন পণ্যের আড়ালে বিক্রি করা হয় মাদকদ্রব্য।
ওদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের একটি সূত্রে জানা গেছে, ইদানীং বিভিন্ন কারণে অনেক ছাত্রী মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। তবে তারা যাতে মাদকের প্রতি আসক্ত না হয়ে পড়ে সেজন্য আবাসিক শিক্ষকরা নিয়মিত মনিটরিং করছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কামাল আহমেদ চৌধুরী বলেন, ব্যক্তিগত হতাশা থেকে মুক্তি পেতেই মেয়েরা নেশার জগতে পা বাড়াচ্ছে। অনেক মেয়ে প্রেমে ব্যর্থ হলে মনে করে তার সব শেষ হয়ে গেছে। তখনই আত্মনিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে মাদক সেবন বা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। অবসর সময়ে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাজে ব্যস্ত থাকলে এ ধরনের হতাশা অনেকটা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রমনা সার্কেলের পরিদর্শক ওসমান কবির বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের আমরা অনেক সময় মাদক সেবন অবস্থায় দেখি। শিক্ষাজীবন ব্যাহত হবে দেখে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা নিই না।