ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

শিরোচ্ছেদের তুলনায় ফাঁসি বেশি কষ্টকর। সৌদি সরকারকে ধন্যবাদ আইনের কার্যকারিতার জন্য। বাংলাদেশে গত ২ দিনে ২ ডজন খুনের ঘটনা ঘটেছে। খুনিদের ক্ষমার পরিবর্তে শাস্তি কার্যকর করা গেলে বাংলাদেশের অবস্থা এতটা খারাপ হতো না। মানিকদের শাস্তি না হওয়ার কারনেই পরিমলদের তৈরি।

করিমগঞ্জে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা : বিভিন্ন স্থানে আরও ১০ জন খুন : ত্রিশালে ব্যবসায়ী হত্যার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ ৯.১০.২০১১ দৈনিক আমার দেশ

রাজধানীসহ সারাদেশে ১৩ খুন : বাবাকে হত্যা করে লাশ মাটিচাপা দেয় পাষণ্ড ছেলে ৮.১০.২০১১ দৈনিক আমার দেশ

আইনের শাসন কার্যকর করাকে বর্বরতা আখ্যা রিপোর্ট করেছে কালের কন্ঠ।

এ কী বর্বরতা! সৌদি আরবে আট বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ
অ্যামনেষ্টি সহ অনেক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান সরব। কিন্তু ইঙ্গো-মার্কিনীরা ইরাকে যখন মুসলিমদের উলঙ্গ করে অবর্ননীয় অত্যাচার করেছিল তখন মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি কোথায় ছিল।

বর্বরতা কোনটি?
ডাকাতিকালে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা, নাকি হত্যার বিচার কার্যকর করা?
তারা তো আত্মস্বীকৃত ডাকাত, তাছাড়া যে তিনজনের শিরোচ্ছেদ করা হয়নি, বিচার সুষ্ঠু না হলে তারাও একই পরিণতির স্বীকার হতো?

তাহলে আল্লাহর আইন বর্বরতা? (নাউযুবিল্লাহ)।

খুন করার পরও খুনীকে সন্ত্রাস কায়েমের জন্য ক্ষমা উপহার দেয়া বর্বরতা
ক্রসফায়ারে বিনা বিচারে হত্য করা বর্বরতা
ধর্ষণ করে হত্যা করা বর্বরতা
লাশ গুম করে হত্যা করা বর্বরতা
লগি বৈঠা নিয়ে নির্বিচারে মানুষ হত্যা করার বর্বরতা
বোমা মেরে মানুষ খুন করা বর্বরতা

উপরিউক্ত কর্মকাণ্ডগুলোর কোনটি কী হারে হয় সৌদি আরবে?

কালের কন্ঠ কিংবা অ্যামনেষ্টিদের নিলর্জ্জতার সীমা থাকা বাঞ্ছনীয়। চালুন হয়ে সূচের ছিদ্রান্বেষণ সত্যিই অবাক লাগে।

উল্লেখ্য সৌদি আরবে খুনের মাত্রা বিশ্বের সবচেয়ে কম।