ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

03_Biometric+SIM+Registration_GP_AM_290416_006

ফ্রি বায়ো-ফিঙ্গার এখন ২০ (বিশ) টাকায়! চলতি মাসের ২০ তারিখ থেকে প্রতিটি সিম রেজিঃ করতে সাধারণ লোকের ২০ টাকা করে গুনতে হচ্ছে। সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ঘোষণা করেছেন রেজিঃ করতে কোন দোকানদার টাকা চাইলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে অবহিত করলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর টাকা গ্রহণ করা হবে দন্ডনীয় অপরাধ।

খুবই সুন্দর কথা বলেছেন মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়। এখন টাকা ছাড়া রেজিঃ হয় না। ওরা সগৌরবে অপরাধ করছে। গ্রাহক অসহায়। প্রশাসন নির্বিকার। এহেন অবস্থায় বিড়ালের গলায় ঘন্টি বাধবে কে?

লোক মুখে শুনে বিশ্বাস হয়নি বলে সশরীরে বুধবার রাত ৯.০০ মিঃ থেকে রাত ১১.০০ মিঃ পর্যন্ত দোকানে দোকানে যা দেখলাম সংক্ষেপে তার বিবরণ তুলে ধরার কিঞ্চিত চেষ্টা করছি। কারণ, আমার নিজেরও রেজিঃ করা বাকী ছিল। তাই কৌতুহলে ঘুরতে লাগলাম আর দেখতে লাগলাম সচিত্র বাস্তবতা। বাস্তবতা এমন এক অভিজ্ঞতা প্রয়োগকারী তা অনুমেয়। আচ্ছা দেখা যাক বায়ো-ফিঙ্গারের বাস্তবতা। শুরু হল অভিযান সরজমিনের অবস্থান ফকিরাপুল, খিলগাঁও, গোড়ান সব দোকানেই প্রতি সিমে ২০ টাকা নগদ দিলে বায়ো-ফিঙ্গার গ্রহণ করে নতুবা ১০০ গজ দুরে থাকার কমান্ড করে। রেলগেইটের ঢালুতে আমান উল্লাহ সুপার মার্কেটের সংগ্লন্ন ফলের দোকানের সামনে দেখি জনাকীর্ন অবস্থা। জানার আগ্রহ জাগল কেন এত লোকের ভিড়। কাছে গিয়ে বুঝলাম রেজিঃ প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলছে।

রেজিস্টারকে জিজ্ঞেস করলাম কী কী সিম রেজিঃ করছেন? প্রথমেই উত্তর দিল ২০ টাকা দিলে সব সিমই রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। জবাবে বললাম, আমার তো ফরম পূরণ করা আছে। জবাবে রেজিষ্টার বললেন পূরণ হোক আর না হোক প্রতি সিমের বিপরীতে রেজিঃ করতে ব্যয় হয় মাত্র ২০ টাকা। কিছু কম নেয়া যায় না, কিছু কমের কথা বলার পরই রেজিঃ তেরে গেল এবং দাম্ভিকতার সাথে বললেন এটা মাছের বাজার নয় মোবাইলের দোকান। ফ্রি রেজিঃ এর কথা বলতে না বলতেই লোকট বলল ক্ষমতা থাকলে কিছু করে দেখান। জবাবে বললাম অপেক্ষা করুন।

সরকার তথা মাননীয় মন্ত্রী তারানা হালিমকে বলব খবর নিয়ে দেখুন সত্য বলছি না মিথ্যা বলছি। আর ঔদ্ধতপূর্ণ আচরণের জন্য শাস্তি দাবি করছি। অনৈতিক কাজের দণ্ড কামনা করছি।