ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

দ্ভুদ এক সন্ত্রাস যেন পুরো পৃথিবীকে গ্রাস করে ফেলেছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আবিস্কার এবং এর ব্যবহার অনিয়ন্ত্রিতভাবে পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে। যার জন্য মানব জাতিকে অনেক মুল্য দিতে হচ্ছে। এইসব কারনে কিছু কিছু মানুষ, গোষ্ঠী এমনকি সরকার ও সরকারী ব্যবস্থাসমুহও সন্ত্রাসী হয়ে উঠছে। কেউ কেউ তথ্য সন্ত্রাস করছে, কেউ বা প্রযুক্তির ব্যবহার দ্বারা নিজেদের সন্ত্রাসী আচরন ও মনোভাব প্রকাশ করছে এবং কেউ তাদের ক্ষমতা ও শক্তি দ্বারা সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রয়োগ ঘটাচ্ছে। এই সন্ত্রাস দ্বারা এদের সবাই অধিকাংশই ভিকটিম আবার অধিকাংশই সন্ত্রাসী।

পৃথিবী কবে পাপ এসেছিলো কিংবা কবে থেকে পাপের শুরু, বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থগুলিতে পাপ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও পর্যালোচনা আছে।

কিন্তু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নতির এই চরম শিখরেরর সময়কালে এসে আমরা মানুষ জাতিরা দেখতে পেলাম হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসা অনেক পাপমুলক কার্যক্রম ও আচরনের মধ্যে কিছু কিছু এখন আর পাপ বলে বিবেচিত হয় না বরঞ্চ সেই সব মানুষের অধিকার এবং জীবন যাত্রার অন্যতম প্রয়োজনীয় উপাদান বলেই প্রতীয়মান ও প্রমানিত। যেমন নারী ও পুরুষের বাধাহীন মেলামেশা, নারী ও পুরুষের পোশাক আশাক, নারী ও পুরুষের অধিকার বিষয়সমুহ এবং কর্মমুখিতা, ছবি তোলা কিংবা ভিডিও ধারন ও সম্প্রচার এবং এমন আরো ইত্যাদি। এমন বিভিন্ন ধর্মে, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, পারিবারিক, সাম্প্রদায়িক ও প্রথাগত ভাবে নির্ধারিত করে দেওয়া পাপের সংজ্ঞা এবং বিষয়সমুহ।

প্রকৃতপক্ষে বর্তমান সময়ে আমরা এসবকে এড়িয়ে বা বাদ দিয়ে চলতে পারি না।

বে অন্য একটি বিষয় পৃথিবীতে মানুষের চিন্তায়, কর্মে প্রতিনিয়ত ফুটে উঠছে আর সেটা হলো – সন্ত্রাস।
সন্ত্রাস এসেছে পৃথিবীতে। এটা এক ধরনের ডিসকভারী।

পৃথিবীর প্রতিটি দেশের, প্রতিটি অঞ্চল ও সমাজের মানুষের মাঝে সন্ত্রাস ছড়িয়ে পড়েছে। সন্ত্রাস পুরো পৃথিবীকে আচ্ছন্ন ও মোহবিষ্ট করে রেখেছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আবিস্কার এবং এর অনিয়ন্ত্রিতভাবে যথেচ্ছ ব্যবহার প্রতিটি মানুষকেই ক্ষমতাবান ও একই সাথে সন্ত্রাসী মানসিকতা তৈরী করে দিচ্ছে, এভাবে মানুষের এইসব কর্মকান্ডের প্রতিফলন যা সন্ত্রাস পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে।

ন্ত্রাস এসেছে পৃথিবীতে। পৃথিবী আজ সন্ত্রাসে ডুবে গেছে। প্রতিটি দেশ, প্রতিটি জনপদ, প্রতিটি মানুষ।