ক্যাটেগরিঃ প্রকৃতি-পরিবেশ

দূর্বা ঘাস পথের পাশে মাঠে ময়দানে মাটিকে আঁকড়ে নিজের অস্তিত্বকে জানান দেয়। বর্ষার প্রথম পানি পেলে সজীব সবুজ হয় বেড়ে উঠে তর তর করে। অন্যের কল্যাণে নিজেকে সঁপে দেয়ার এক গর্বিত মাহাত্ম তাঁর আছে। খালি পায়ে দূর্বা ঘাসের উপর হাটার অনুভূতি অদ্ভুত- গোটা শরীর মনে পূলক জাগে, খুব ভালো লাগে- অনেক রোগ নিরাময় হয়। গ্রামের দূরন্ত বালকের হাত কেটে হাছে কিংবা পড়ে হাটুর চামড়া ছিলকে গেছে রক্ত ঝড়ছে- কয়েকটা দূর্বার ডগা মুখে দিয়ে চিবিয়ে রসযুক্ত করে লাগিয়ে নিল কয়েক মুহূর্তের মধ্যে রক্ত ঝরা বন্ধ, কোন ব্যাথা নেই। গবাদি পশুর প্রিয় এবং দুধেল গাভীর দুধ বেড়ে যায় দূর্বার কারণে। বিবাগী মন শরতের ভরা যৌবনে সূর্য ওঠার প্রাক্কালে দূর্বার ডগায় মুক্তোদানার মত ফোটা ফোটা শিশির সিঞ্চন করে দুহাত ভরে মুখে মেখে নিলে ত্বকের অনেক উপকার হয়। ঘরের টবে কিংবা উঠানের সামান্য মাটিতে রাখলে আপনা থেকেই বেড়ে ওঠে। মরে না সহজে। আপাতত এটুকুই দূর্বা ঘাস নাম ধারণের কারণ।