ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

পরাশক্তিমত্তা হারানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বেশি কিছুর প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই মেয়াদে আট বছর ক্ষমতায় থাকলেই চলবে!  এই নতজানু প্রেসিডেটের কর্মকাণ্ডের ফলে আমেরিকা ইতোমধ্যেই ইজরায়েল-ফিলিস্তিন শান্তি আলোচনার মধ‍্যস্ততাকারীর মর্যাদা হারিয়েছে।তারা হারিয়েছে সিরিয়া-লেবানন-ইয়েমেনে তাদের আগেকার দোর্দণ্ডপ্রতাপ। ইরানের সাথে এই দেশটির রয়েছে তীব্র বিরোধ। একমাত্র ইজরায়েলকে শেল্টার দিতে গিয়ে মধ‍্যপ্রাচ‍্যে সৌদি আরব -আমিরাত -মিশর ব্লক ছাড়া আরব লীগের বাইশটি দেশের বাকি প্রায় সব দেশের উপর তাদের খবরদারি অনেকটাই কমে গেছে। তাদের ঘনিষ্ঠ ন‍্যাটো জোটের মিত্র দেশ তুরস্কের সঙ্গে তাদের আগের মত আর সম্পর্ক নেই। চীন-রাশিয়ার সঙ্গে তাদের চলছে নেতৃত্বের খেলা। ইউনেস্কোর সদস‍্যপদ প্রত‍্যাহার ও প‍্যারিস জলবায়ু চুক্তির বৈরিতার জেরে ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে তাদের সম্পর্ক বর্তমানে শীতল পর্যায়ে রয়েছে। দক্ষিণ আমেরিকার দেশে দেশে রয়েছে সমাজতান্ত্রিক সরকার। দূর প্রাচ‍্যে ভিয়েতনাম ও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে তাদের দীর্ঘ বৈরিতা লেগেই আছে। এসব অবস্থাদৃষ্টে প্রতীয়মান হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের আগের সেই রুপ এখন আর নেই, তাদের শক্তিমত্তা এখন অনেক খর্বিত। তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কী শীঘ্রই অটোমানদের পরিণতি ভোগ করতে যাচ্ছে?