ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

সাধারন মানুষের কিছুটা লজ্জা-শরম বোধ হয়ত এখনও আছে, কিন্তু রাজনীতিবিদদের যে তা একেবারেই নেই, ক্ষমতার হালুয়া রুটি খাবার জন্যে যে তাঁরা সব কিছুই করতে পারেন তার প্রকৃষ্ট উদাহরন “অনমনীয়” নেত্রী খালেদা জিয়ার আগামী রবি আর সোমবারে ফের হরতাল ডাকা! এই হরতালে আবারো কার ও গাড়ী ভাংচুর করবে বা পোড়াবে ভাড়াটিয়া “লুম্পেনরা”, বোমা মেরে মেরে ফেলা হবে বা আহত করা হবে নীরিহ কোন দেশবাসীকে যে প্রাত্যহিক জীবিকার প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে যাবে! হরতাল আহবানকারী বিরোধী দলীয় বিশিষ্ট নেতারা কোন ক্রমে কেন্দ্রীয় অফিসে উঠে চেয়ারে বসে হাফ ছেড়ে বাঁচবেন, কেউ কেউ ঘুমাবেনও! কিছু কিছু জায়গায় ইদুর-বেড়াল খেলা চলতে থাকবে পুলিশ ও বিক্ষোভ কারীদের (ভাড়াটিয়া কর্মী বহুল মিছিলে)!না খেয়ে থাকবে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষেরা,হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হবে এই গরীব দেশটার!

অথচ এই ধরনের একটি ধ্বংসাত্মক কর্মসূচী, যে টা “অনমনীয় নেত্রী” দেবেন বলে ঠিক করে রেখেছিলেন, সেটাকে ঠেকাতে রাজনৈতিক ডায়ালগ বা কোন দূতিয়ালির আশ্রয় নেবার প্রয়োজন মনে করেননি সরকারী মহল, সমুদ্র উল্লম্ফন নাক্কি সমুদ্র মন্থন নিয়ে তারা এখন প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দিচ্ছেন! হায়রে বিচিত্র দেশ বাংলাদেশ!

এ সেই ক্লাসিক দর্শনতত্ত্ব, দুই শ্বাপদের শিকার নিয়ে টানা হেঁচড়া, মানুষ নিয়ে মরন খেলা! ভাবখানা যেন “যা শত্রু পরে পরে”! এটা দ্বারাই প্রমান হল যে দেশে এখন তিন পক্ষ, সরকার, বিরোধীদল ও তাদের শিকার সাধারন মানুষ!

সরকার আর বিরোধী, দুই দলকেই এ জন্যে হয়ত কঠিন মূল্য দিতে হবে আর সেটাই ইতিহাসের অমোঘ বিধান!