ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

গত কয়েকদিনের কয়েকটি সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট আওয়ামী লীগের প্রখ্যাত নেতা, সাংবাদিক সহ বেশ কয়েকজন সাধারন নাগরিক নিহত হয়েছেন যা দেশবাসী সবার কাছেই অতীব দুঃখজনক! এর বিহিত হওয়া উচিত এবং তার বিভিন্ন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া রয়েছে! পত্রিকান্তরে পড়লাম এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমূহকে দ্রুত ব্যবস্থা নেবার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পরিহার করে এরই মধ্যে এসব বিষয় ও অন্যান্য “গুজব” কে কেন্দ্র করে আবার রাস্তায় রাস্তায় গাড়ি ভাংচুর ও আগুন লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, দাবী দাওয়া সারা বছরের হলেও গার্মেন্টস কর্মীদের ভেতরও আবার ঠিক একই সময়ে অস্থিরতার সৃষ্টি করে বড় বড় হাইওয়ে বিচ্ছিন্ন করে দেশ ব্যাপী আতংক ছড়িয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে সেই চেনা মহল, যারা বিগত ২-৩ বছরে বার বার যুগপথ প্রায় প্রত্যেকটি সেক্টরে নগন্য ইস্যুকে কেন্দ্র করে এ ধরণের স্যাবোট্যাজের চেষ্টা চালাচ্ছে! গতকাল ও আজ এ ধরনের নৈরাজ্যকে কেন্দ্র করে আশুলিয়া ও সাভারে হাইওয়ে অবরোধ করা হয়েছে, আজ আশুলিয়াতে এলাকাতে একজন নিহতও হয়েছেন বলে মিডিয়াতে খবর এসেছে!

নতুন করে নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারাতে সরকারের কাছে সাধারন দেশবাসীর পক্ষে জোর দাবী জানাই- সাধারন জনগনের জানমালের হেফাজতে এই মুহূর্তেই কঠোর ব্যবস্থা নিন! দায়ী ব্যাক্তি কারা হতে পারে তার লিস্ট সচরাচর গোয়েন্দা সংস্থার হাতে থেকে থাকে (না থাকলে রাষ্ট্রিয় খরচে এদের পোষা কেন?) তা হলে অনতি বিলম্বে এদের গ্রেপ্তার করে প্রচলিত আইনের আওতায় বিচার করুন! কোথাও কোথাও প্রশাসনের ভেতর থেকে এ সব বিষয়ে ইন্ধন থাকতে পারে, সে বিষয়েও সরকার যেন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করেন!
সাধারন দেশবাসী সরকারকে কর প্রদান করেন, সরকারের কাছে তাদের জান মালের নূন্যতম নিরাপত্তার ন্যায্য দাবী নিঃসন্দেহে করতেই পারেন, নিজেরা লাশ হতে কিম্বা নিজেদের সম্পত্তির ক্ষতি দেখতে চান না!

রাস্ট্রীয় ক্ষমতার ইঁদুর দৌড়ের মাশুল এদেশের জনতা আর দিতে রাজী নন আর সে ক্ষেত্রে সরকারী কিম্বা বিরোধী দল, দুই পক্ষের কাছেই আম জনতার বক্তব্য, আপনাদের পাতানো খেলা নিজেরা নিজেরা খেলুন, আমাদের রেহাই দিন, আর নয়, যথেষ্ট হয়েছে!