ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

জাতি হিসেবে আমাদের জাতীয় একতার স্বাধীনতার মত একটি অনন্য নিদর্শন থাকলেও ,স্বাধীনতার ৪০ বছর পর আজকে আমরা জাতীয় ভাবে দুই ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছি। একটি ভাগে রয়েছে আওয়ামিলিগ এবং আরেকটিতে রয়েছে বি.এন.পি। তাদের এই বিভাজনে আজ দেশের অন্তীম মুহর্থ চলছে।দেশের মানুষ আজ তার অর্জিত স্বাধীনতার ভোগ করতে পারছে না। স্বাধীন হয়ে ও তারা আজ পরদিন। এর দায় ভার কার?

আজকে আমাদের সব পেশার মানুষ দুটি ধারায় বিভক্ত যেমন আমরা বলতে পারি সরকারী কর্মচারী, আইনজীবী ও অন্যান্য সকল পেশায় নিয়জিত উচু পদস্ত বাক্তি গণ.তারা তাদের বাক্তি গত পয়দা হাসিল আর জন্য এই দুটি দলের কোনো একটির সাথে সম্পৃক্ত.যেমন একটা উদাহরণ দেয়ে বলা যায় আমাদের মাননীয় এটর্নি জেনারেল উনি শুধু আওয়ামি লীগ বা বিএনপি কোন দলের এটর্নি জেনারেল নয় উনি সারা বাংলাদেশ এর এটর্নি জেনারেল.আমরা কী দেখতে পাচ্ছি মাননীয় এটর্নি জেনারেল সাহেব কী নির্লজ্জের মত একটি দলের চাটুকারিতা করে যাচ্ছেন।

আমাদের দেশের দলীয়করণের চরম এক বহিঃপ্রকাশ যা ঘটলো এইতো কিছুদিন আগে আমাদের মাননীয় রাষ্ট্রপতি মহোদয় ফাঁসির দন্ড প্রাপ্ত আসামি কে ক্ষমা করে দেন শুধু মাত্র দলীয় বিবেচনায়.এই ভাবে যদি খুনীর খুন করে মুক্তি পেয়ে যায়. আমরা সাধারন মানুষ কার কাছে বিচার চাইবো। তখন আমাদের মনে একটাই সান্তনা আল্লাহ নিশ্চয়ই এর সঠিক বিচার করবেন। এই যদি হয় আজ আমাদের অবস্থা. তাহলে আমাদের ভবিষ্যত কী? কোথায় যাবে আমাদের এই সব নিরীহ মানুষ গুলো.যাদের নাই কোনো দলীয় পরিচয় নেই

এই তো কিছু দিন হল পড়ালেখা শেষ করলাম.চাকরির খোজ করছি.জানি ইন্টারভিউ দিয়েও চাকরী পাব না কারণ আমি কোনও দলের কর্মী বা নেতা নই তাহলে এখন কী আমি ইন্টারভিউ পড়াশুনা বাদ দিয়ে কোনও রাজনৈতিক দলের সাথে যোগ দেব?

আমরা কি তাহলে স্বাধীন হয়েছি এই দুটি দলের দাসত্ব করার জন্য নাকি নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য? আজ আমরা কী দেখতে পাচ্ছি রাজনৈতিক এক চরম বিভক্তি যা আমাদের জন্য মোটেই মঙ্গল জনক নয়। ই দুটি রাজনৈতিক দলের হাতে আমাদের ভাগ্য জিম্মি হতে পারে না.মানুষ এখন সচেতন তাই হয় এই দুটি দলের নৈতিক মানসিক পরিবর্তন দরকার। না হয় এদের আগ্রাসন থেকে মুক্তি পেতে ভিন্ন উপায় খুজে নেয়া

আমরা সব সময় আসা করি রাজনৈতিক দল দারা দেশ পরিচালিত হবে এবং তারা দল ও মতের ঊর্ধে থাকবে। কিন্তু বর্তমনে সম্পূর্ণ এর উল্টো চিত্ত। তাই আমরা এমন রাজনৈতিক দল চাই যারা ক্ষমতায় এসে দল ও মতের ঊর্ধে গিয়ে শুধু মাত্র দেশ দেশের মানুষের জন্য কাজ করবে.