ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

বাংলাদেশ ৪৭তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করলো কয়েকদিন আগে। সব গ্লানি মুছে যখন বাংলাদেশ দিনকে দিন উন্নতি করছে, সফলতার সিঁড়ি ভেঙ্গে ভেঙ্গে যখন উপরের দিকে ধাবিত হচ্ছে, ঠিক সে সময়ই বাংলাদেশ নতুন করে জঙ্গিবাদ নামক বিষফোঁড়ায় আক্রান্ত। শুধু বাংলাদেশ নয়, সারাবিশ্বে জঙ্গিবাদ তার থাবা বিস্তার করে চলেছে ক্রমাগত। আমাদের এই সোনার বাংলায় বেশ কিছুদিন ধরে দেখা যাচ্ছে এর ভয়াবহতা।

হলি আর্টিজান থেকে শুরু করে আতিয়া মহল কিংবা বড়হাটের জঙ্গি হামলা ও আস্তানা ভাবিয়ে তুলছে বিবেকবোধ প্রতিটি মানুষকে। হঠাৎ করে এত জঙ্গি আস্তানা কেন সর্বত্র বের হচ্ছে, সে প্রশ্ন আজ সবার মনে। প্রশাসন সব জঙ্গি আস্তনা সাফল্যের সাথে ধ্বংস করলেও সংশয় যাচ্ছেনা। এক আস্তানা ধ্বংস করলে আরেক আস্তানার সন্ধান মিলছে। যেন গোটা দেশেই ঘাপটি মেরে বসে সেই সব ধর্মান্ধ জঙ্গিরা।

জঙ্গিরা না কোন ধর্মের, না কোন জাতের কিংবা কালের। কিন্তু তারা তাদের (অ)কাজে ইসলাম ধর্মকে ব্যবহার করছে কৌশলে। সে কারনেই ধর্মও কলঙ্কিত হচ্ছে। সারাবিশ্বে আজ মুসলিম মানে আতঙ্ক, মুসলমান মানেই জঙ্গি।

কিন্তু আসলে কি তাই? সোজা উত্তর ‘না’। জঙ্গিরা তাদের ব্যাক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্যই এরকমটা করছে। জঙ্গির পুরোহিতরা তরুণদের মগজধোলাই করছে ধর্মকে ব্যবহার করেই।

আমরা চাই জঙ্গিবাদের সর্বোচ্চ সমাধান। এ জন্য এগিয়ে আসতে হবে দেশের প্রতিটি বিবেকবান মানুষকে, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন এনজিও-সংস্থাকে, সকল রাজনৈতিক দলকে। কারন, এটা কোন ব্যক্তিগত সমস্যা নয়। এটা জাতীয় সমস্যা তথা আন্তর্জাতিক সমস্যা। এক দল আরেক দলকে দোষারোপ না করে আসতে হবে আলোচনার টেবিলে। আগামী প্রজন্মকে প্রকৃত ধর্মীয় শিক্ষা দিতে হবে, সে যে ধর্মেরই হোক না কেন।