ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

 

ফারেস ওদেহ , পশ্চিমা মিডিয়া যার নাম দিয়েছিল “ট্যাংকবয়”। অসম্ভব সাহসী এই ফিলিস্তিনি ছেলেটা মারা যায় ২৯ অক্টোবর ২০০০ সালে। একেবারে খুব কাছে থেকে ইসরায়েলী সৈন্যরা তার ঘাড়ের নিচে গুলি করে, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরও এক ঘন্টা তার লাশ রাস্তায় পড়ে ছিল কারন তার লাশের কাছেই দানবাকৃতির ট্যাংক ঘোরাফেরা করছিল। সে ক্রমাগত পাথর ছুড়ে মারত ট্যাংকগুলোতে,এই পাথর ওই মহাপরাক্রমশালী ট্যাংকের কিছুই করতে পারেনা তথাপি এই অপরাধেই সৈন্যরা তাকে হত্যা করে।

মাত্র এক সপ্তাহ আগে সে তার অন্য বন্ধুদের ছাপিয়ে খুব কাছ থেকে ট্যাংকে পাথর মারে যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় কিন্তু সে যাত্রা সে বেচে গিয়েছিল, পরের বার “কারনি ক্রসিং”নামক জায়গায় এই অসম সাহসী বালক তার পনেরতম জন্মদিনের কয়েকদিন আগে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

ফারেস ওদেহ তার পক্ষে সম্ভব প্রতিরোধের সর্ব্বোচ্চ পর্যায়ে গিয়ে লড়েছে দখলদারদের বিরুদ্ধে, ওই পাথর হয়তো ইসরায়েলি ট্যাংকের বিরুদ্ধে নস্যি মাত্র তবুও তা ওরকম হাজার ট্যাংকের চেয়েও ক্ষমতাবান, ওই পাথরটা যে একটা জাতির হাজার হাজার মানুষের স্বাধীনতার আকাঙ্খাবাহী।

লাল সালাম ফারেস ওদেহ। আজকে আমরা তরুনরা সামান্যতম ত্যাগ করতে রাজি হচ্ছিনা,পশ্চিমাদের চাপিয়ে দেয়া উটকো জীবনসম্পর্কহীন সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত হচ্ছি। বাংলাদেশের তরুনদের আজ শপথ করতে হবে সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাবার সব নিপীড়ন শাসক আর লুটেরা পরজীবীদের বিরূদ্ধে।