ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা

 

মেয়ে-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, চলাফেরা এবং আড্ডা দেয়ায় ইভটিজিং এর মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভিন্ন টিভি চ্যানেল এ পশ্চাত্ব ও ভারতীয় অপসংস্কৃতি এবং পর্ণ ছায়াছবির প্রদর্শন যুবক ছেলে- মেয়েদের সুপ্ত যৌন বাসনাকে উত্তেজিত করে যৌন ক্ষুধায় পরিণত করেছে। এর ফলে তারা ইভটিজিং চর্চায় উন্মুক্ত হয়ে পরেছে। নোংরা ও যৌন উত্তেজক ভিডিও ক্যাসেট, পর্নোগ্রাফি ডিস্ক ইত্যাদির ব্যাবহার ও সহজ লভ্যতার কারনে ইভটিজিং এর প্রতি যুবক-যুবতীরা অতি মাত্রায় ঝুঁকে পরছে। পরদার অভাব ও মেয়েদের অশালীন পোশাক- পরিচ্ছদ মেয়েদের ইভটিজিং এর জন্য অনেকাংশে দায়ি। পরদা বলতে বোরকা বা হিজাব কে বোঝাচ্ছি না। বরং ন্যূনতম শালিন পোশাক কে বোঝাচ্ছি যা মেয়েদের শরীরের যৌন উত্তেজক অঙ্গ গুলকে ছেলেদের চোখ থেকে রক্ষা করে। কিন্তু বাস্তবে হচ্ছে তার বিপরীত। বর্তমান মেয়েদের ইচ্ছাকৃত কামিজের ঝুল এতো কম রাখা হচ্ছে যা টাইট খাট গেঞ্জি কে হার মানায়। কেউ কেউ আবার স্কিন টাইট পাজামা ব্যাবহার করে পোশাকের নামে নগ্নতার ষোলকলা পর্ণ করে যাচ্ছে। এর সাথে সাথে কামিজের কাটিং এমন করা হয়েছে যে পিঠের অর্ধেক খালি থাকে এবং বক্ষ স্থলে স্পর্শকাতর অঙ্গের কিছু অংশ জেন উন্মুক্ত থাকে। শারী পরিহিতা যুবতি মেয়েদের ব্লাউজ এমন ভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে বক্ষ সহ পেটের অনেক অংশ খালি থাকে। এই কারনে অনেকাংশে ইভটিজিং বেড়ে যাচ্ছে। মাতা পিতার অসচেতনতাও ইভটিজিং এর জন্য অনেকাংশে দায়ি।

বাঘেরহাটের শরণখোলার লিজা আখতের কে ধর্ষণ ও শ্বাস বন্ধ করে হত্যা, মাতা-পিতার দায়িত্বহীনতার একটি উজ্জ্বল প্রমান। ইভটিজিং এর জন্য দায়ি সর্বশেষ কিন্তু সবচে গুরুত্বপূর্ণ কারন হচ্ছে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার অভাব। কোরআন- হাদিসের প্রকৃত শিক্ষায় আলোকিত কোন মুসলিম যুবক বা যুবতি এই ধরনের কাজ বা পোশাক পরিধান করতে পারে না। কারন মুসলমান সন্তান জানে এই দুনিয়ার পর ও আরেক দুনিয়া আছে। যেখানে তাকে এই দুনিয়ার খারাপ কাজের শাস্তি পেতে হবে।