ক্যাটেগরিঃ ব্লগালোচনা

 

বাংলাদেশ প্রেক্ষিত, সিটিজেন জার্নালিজম: প্রযুক্তি সমন্বয় ও গুরুত্ব বিষয়ে ওয়ার্কশপে আলোচনা করা হয়। এতে আলোচনা করেন কৌশিক আহমেদ, রাসেল এবং আইরিন সুলতানা।

এ ওয়ার্কশপ নিয়ে অনেকেরই অনেক ভালো ধারণা হয়েছে। সঙ্গেসঙ্গে আমার কিছু ধারণার অপনোদন হয়েছে। একটু কঠিন ভাষায় এ ব্যাপারে মন্তব্য করছি।

ওয়ার্কশপের বিষয়ভিত্তিক আলোচনার বিষয়গুলো ছিল অত্যন্ত যুগোপযোগী। নিঃসন্দেহে এগুলো একজন শিক্ষার্থীর জ্ঞান ভান্ডার সমৃদ্ধ করবে। বিশেষত সিটিজেন জার্নালিজম নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ ব্যাপক। তারপরে ব্লগারদের নিয়ে ওয়ার্কশপ যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবেই গণ্য হবে। একারণে আমার ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যাশাটা তাই একটু বেশিই ছিল।

যদিও নির্দিষ্ট সময়ের পরেই উপস্থিত হয়েছিলাম। কৌশিক আহমেদের লেকচারটা শুনতে পাইনি। উপস্থিত হওয়ার সময় ব্লগার রাসেল শেখাচ্ছিলেন । কিন্তু তাঁর উপস্থাপনাটা ছিল যাচ্ছেতাই মার্কা। উপস্থিত শ্রোতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে সাবলীল বক্তব্য উপস্থাপন আর ব্লগে লেখা বিষয়টা এক নয়। সম্ভবত এ বিষয়টি তাঁর মাথায় ছিল না। তাঁর বক্তব্যের কোন ধারাবাহিকতা ছিল না। বলছিলেন কথা বারবার আটকে যাচ্ছিল। হয়তো এটাই তাঁর বক্তব্যের স্টাইল। কিন্তু যাদের উদ্দেশ্যে তাঁর এ বক্তব্য উপস্থাপন তারা বিষয়টিকে গ্রহণ করছেন কিনা এটাই মুখ্য বিষয়। আলোচনার বিষয়গুলো ছিল খুবই এলোমেলো। তাঁর বক্তব্যের সময় ব্লগাররা ল্যাপটপ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন, মোবাইলে কথা বলছিলেন, খেলার খবর নিয়ে মাতোয়ারা হয়ে ওঠেন। অথচ তাঁর এ ব্যাপারে কোন ভ্রুক্ষেপ ছিল না। কৌশিক আহমেদের বিষয়গুলো সম্ভবত ভালোই ছিল। পরে দু‘চারটি বিষয়ে তাঁর অনধিকারচর্চায় তা বুঝতে পারলাম। ভালো আলোচনা করছিলেন আইরিন সুলতানা। এ সময় একবার রাসেল, আবার কৌশিক বারবার ফ্লোর নিয়ে নিচ্ছিলেন। এদের প্রভাবে আইরিন ঠিকমতো কথাই বলতে পারছিলেন না।

ওয়ার্কশপের ধারণা পজেটিভ। আয়োজকদের এ ধারা অব্যহত রাখার বিষয়টিও প্রশংসার। কিন্তু অনুরোধ, এর পরের বেলায় যেন ভালো স্পিকার রাখা হয়। যারা শ্রোতাদের হৃদয় স্পর্শ করতে পারে। পারে যথাযথ উপস্থাপন করতে।