ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

‘গণি আদমের ক্যাম্পাস’ বইটির প্রচ্ছদ

‘গণি আদমের ক্যাম্পাস’ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত এক উপন্যাস। লেখক রাশেদ মেহেদী প্রত্যক্ষভাবে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তার লেখনীতে ফুটিয়ে তুলেছেন ক্যাম্পাসের অন্যায়, নির্যাতন, ধর্ষণ, খুন, প্রতিবাদ, আন্দোলন, প্রতিরোধের অদম্য ইতিহাস।

বইটির লেখক রাশেদ মেহেদী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। সে সময়ে তিনি ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও দৈনিক সংবাদ পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি। পরবর্তীতে গঠিত জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটেরও আহবায়ক ছিলেন তিনি। নেতৃত্ব প্রদানের মাধ্যমে তিনি খুনি ধর্ষকদের ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।

গণি আদমের ক্যাম্পাস। বইটি রাশেদ মেহেদীর অনন্য অসাধারণ এক উপন্যাস। বইটিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির কথা সুনিপুণ দক্ষতায় ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক। এখন ২ আগস্ট পালিত হচ্ছে খুনি ও ধর্ষক প্রতিরোধ দিবস। এর পেছনের কাহিনী, শিক্ষকদের নেপথ্য ভূমিকা, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাহসিকতা, ছাত্রলীগের পিছুটান সব সব কাহিনী রয়েছে বইটিতে। পাঠক সমাবেশ বের করেছে বইটি। গণি আদমের ক্যাম্পাস বইটি লেখকের অনন্য শিল্পকর্ম।

’৯১-’৯৬ সালে বি এন পি’র আমলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতির নির্বাচন নিয়ে কথা কাটাকাটি হচ্ছে। এক পর্যায়ে আবু ইসমাইল নামে এক সরকারী দলের শিক্ষক তখনকার ছাত্রনেতাকে দিয়ে শিক্ষকদের আচ্ছামত পেটাল। বিষ্ময়কর বিষয় হল এ ব্যাপারে মামলা হলে আহত ব্যক্তি নিজেই এটা অস্বীকার করে কোর্টে জবানবন্দী দেয়। মামলা খারিজ হয়ে যায়। আসল বিষয় হল ছাত্রদের হাতে লাঠি পেটা খাওয়ার পরও ঐ ছাত্রদের নিজের দলে ভেরাতেই এই নাটক। বাস! ছাত্রনেতারাও বেশ খুশি। শিক্ষক পেটানোর পরও যদি শিক্ষক কোলে টানে তখন খুশি না হওয়ারই বা কী?

এর পর শেষ হয়ে যায় বিএনপি’র আমল ক্ষমতায় আসে ছাত্রলীগ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে স্থান করে ইতিহাসখ্যাত জঘন্য সব কান্ড। ধর্ষণে সেঞ্চুরি করে মিষ্টি বিতরণ করেন সরকারী দলের ছাত্রনেতা। ছাত্রলীগের মধ্যে সৃষ্টি হয় দুটি গ্রুপ। এক গ্রুপের নেতৃত্ব দেন প্রক্টর নিজে। অপর গ্রুপের নেতৃত্ব দেন প্রোভিসি সালাহউদ্দিন, পরে যিনি ভিসি হন। প্রোভিসি হিসেবে নিজে একটি গ্রুপ পরিচালনায় সক্রিয় থাকলেও ছাত্রলীগের ইভয় গ্রুপের সাথেই তাঁর সম্পর্ক ছিল। মধ্যে একবার শিবির প্রকাশ্যে আসতে চাইলেও শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পিছু হঠতে বাধ্য হয়। এদিকে জাতীয় নির্বাচনে বি এন পি’র ভরাডুবির পর ছাত্রদলও ক্যাম্পাস ছাড়া। ফলে রাজনীতির মাঠে খোলোয়ার চার জন। ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ, ছাত্র ফ্রন্ট আর ছাত্র ইউনিয়ন।

এদিকে পূর্ববর্তী ছাত্রদলের সকল অপকর্মের অনুসরণে ছাত্রলীগও ক্যাম্পাসে রাতারাতি রাবণ বনে যায়। একদিকে শিক্ষকদের সাথে চলে সেটআপ। অন্যদিকে টেন্ডারবাজি, চাঁদা বাজিসহ ধর্ষনের মত স্পর্শকাতর বিষয়ে জড়িয়ে পড়ে। শক্তি একটাই তারা প্রক্টরের দল। যিনি ধর্ষনের বিচার করবেন তিনি ধর্ষনকারীদের হেড। সুতরাং নো চিন্তা ডো ফূর্তি।

প্রভিসি সালাহউদ্দিন এবং প্রক্টর কায়সার আহমেদ দুইজন হলেন ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের পরিচালক। উভয়েই উভয়ের গ্রুপকে ক্যাম্পাসে একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চায়। ফলে দুই পরিচালকই তাদের গ্রুপকে ছোট যুদ্ধে লিপ্ত হতে বলে। তবে হত্যার মত জঘন্য কাজ হতে বিরত থাকতে বলে। বিধি বাম! ছাত্রনেতারা কি সব সময় তাদের কথায় চললে হয়? নিজেরও তো বুদ্ধি আছে। প্রক্টর সাবের গ্রুপ বুদ্ধি করে একজনের মাধ্যমে নিজের দলের এক কর্মীকে হত্যা করে। ফলে প্রভিসির গ্রুপ হত্যাকারী হিসেবে ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যায়। সহজেই ক্ষমতা পান প্রক্টর সাবের শিষ্যরা।

আগেই বলেছি বাম পন্থীরা সংখ্যায় কম হলেও মস্কু আর চীন পন্থী বলে কথা। তাই তাদের রক্তে ছিল মুসোলিনি, চে গুয়েভারার বিপ্লবি রক্ত। কোন প্রকার আন্দোলন ছাড়া এরা থাকবে এটা হতে পারে না। তাই সব সময় হয়তো ক্যন্টিনের খাবার নয়তো রাস্তার ময়লা আবর্জনা ইত্যাদি ছোটখাটো বিষয় নিয়ে আন্দোলন করতেই তারা অভ্যস্ত। আর বড় কোন ইস্যু হলে তো শিরোনাম। এরই মধ্যে আমিন বাজারে ট্রাক শ্রমিকদের সাথে জাবি শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ বাধে। ইস্যু পায় বামেরা। বন্ধ করে দেয় ঢাকা আরিচা রোড। সঙ্গত কারণেই সরকারী দলের ছাত্রনেতা হিসেবে প্রশাসনের পক্ষ নিয়ে অবরোধ স্থগিতের ঘোষণা দেয় ছাত্রলীগ নেতা। কিন্তু সংগঠনগুলো এতদিনে একটা ইস্যু পেয়েছে। যেখানে সাধারণ সাধারণ শিক্ষার্থীদের সত:স্ফূর্ত অংশ গ্রহণ। কে জানে আবার কবে এই সুযোগ আসে। এদিকে ভিসিও বামের সমর্থনে। তাই তারা সুযোগ হাতছাড়া না করে মহা সড়ক দিনের পর দিন বন্ধ রাখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ক্যাম্পাসে আসতে বাধ্য করে। এদিকে ছাত্রলীগের কমান্ড না মানায় নেতৃবৃন্দ তো তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে। যোগাযোগ করে প্রক্টরের সঙ্গে। প্রক্টর বামদের শিক্ষা দিতে পুলিশ ব্যবহারের আশ্বাস দেন। কিন্তু নেতৃবৃন্দের মন পুত হয়নি। যায় প্রভিসির কাছে। প্রভিসি সালাহ উদ্দিন ডাইরেক্ট এ্যাকশনের কথা বলেন। কিন্তু আশায় গুরে বালি। কারণ ভিসি নিজে তখন আন্দোলন রত শিক্ষার্থীদের পাহারা দিচ্ছিলেন এবং প্রক্টর ও প্রভিসির পরিকল্পনা জেনে গিয়েছিলেন। কিন্তু সরকারীদল বলে কথা। ছাত্রলীগ নাছোড় বান্দা। ঘাড় তেরা বামদের শিক্ষা দিতেই হবে। পরের দিন সরাস্ট্রমন্ত্রী ক্যাম্পাসে আসলে পূর্ব পরিকল্পনামত পুলিশকে ভূগোল বুঝিয়ে বাম নেতাদের আচ্ছা মত পেটায়। যদিও মন্ত্রী এর সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছিলেন কিন্তু তা কি সম্ভব? যেখানে প্রক্টর নিজেই হলেন ডিরেক্টর!
ইতোমধ্যে সাবেক প্রভিসি সালাহউদ্দিন ভিসি হলেন। শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবল। খেলার শুরুতেই ছাত্রলীগ নেতা মানিক সবাইকে মিষ্টি খাওয়ালো। বলে দিল সেঞ্চুরির মিষ্টি। কিন্তু কিসের সেঞ্চুরি? সবার একই প্রশ্ন। ইতোমধ্যে ছাত্রলীগ নেতাদের নামে ধর্ষনের অভিযোগ আসা শুরু করল। বাম নেতৃবৃন্দের চিন্তা, তাহলে কি ধর্ষনের সেঞ্চুরি? যদি তাই হয়, তাহলে তো ইস্যু আরেকটা আসলো। যেখানে সারাদেশের জনমত আসবে। শুরু করল অনুসন্ধান। ঘটনা সত্য। বাম সংগঠন, যেখানে ফ্রন্ট আর ইউনিয়নে চরম দন্ধ। দু’দলের আদর্শ ঠিক মুদ্রার এপিটওপিট। ছাত্রলীগের ঠেঙানি খেয়ে এখন এক। শুরু করল ধর্ষন বিরোধী আন্দোলন। ধর্ষনের প্রমান আসতে থাকে অবিরাম। বেরিয়ে আসে শিক্ষকের “গিভ এন্ড টেক তিওরি” র খবর। ভালো ফলাফলের আশ্বাস দিয়ে ছাত্রীদের দেহ ভোগ করাই তার কাজ। শিক্ষকের নাম আব্দুল হান্নান।

প্রথম থেকেই প্রক্টরের কাছে এসবের খবর আসতে থাকে। কিন্তু নিজের দলের এবং গ্রুপের নেতা বলে কথা। চাপিয়ে রাখে অনেক দিন। কিন্তু ধর্ষন বিরোধী আন্দোলন যখন তুঙ্গে। তখন তিনি স্বীকার করেন তিনি কিছু কিছু জানতেন। এবং উঠতি বয়সের ছেলেরা একটু করতেই পারে বলে উরিয়ে দেন। তবে ছাত্রলীগকে অনুমতি দিলেন এ্যাকশনে যেতে। ধারণা ছিল এই অল্প কয়টা বামকে পিটিয়ে ঠান্ডা করতে পারলেই হয়। কিন্তু বিষয়টি ছিল এতই স্পর্শ কাতর যে যতই ছাত্রলীগ পেটাচ্ছে, ততই বামদের শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে। জাতীয় ব্যক্তিত্বরাও এগিয়ে আসছে। এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ এক শিক্ষককে লাঞ্চিত করলে ব্যর্থতার দায়ে প্রক্টর পদত্যাগ করেন। ভিসি হাফ ছেড়ে বাঁচেন। কারন প্রক্টর ছিল তার বিরোধী । নিয়োগ দেন নিজের পছন্দের লোক। প্রথমে ভিসি নিজেও ছাত্রলীগের উপর ক্ষেপা ছিলেন। ছাত্রলীগ কী করে? একটা ছোট আন্দোলন ঠেকাতে পারে না? যদিও তিনি পরে তিনি লোক দেখানো বিচারের ব্যাবস্থা করে ছিলেন। ক্যাম্পাস ছাড়া করেন ধর্ষনকারী গ্রুপকে।

এতদিন পর ভিসি তার প্রতিপক্ষ প্রক্টর এবং ছাত্রলীগ মুক্ত করলেন ক্যাম্পাসকে। নিয়ে আসেন নিজের গ্রুপকে। কিন্তু তার গ্রুপ ক্যাম্পাসে আবার অরাজকতা সৃষ্টি করে। সুযোগ নেয় সাবেক প্রক্টর। ফিরে আসে ধর্ষনে সেঞ্চুরীকারীর দল। বসে নেই বাম নেতৃবৃন্দ। আবার দুই দল এক হয়ে ভিন্ন কায়দায় ১৯৯৯ সালে ছাত্রলীগ মুক্ত ক্যাম্পাস গড়ে। তাদের পলিটিক্স ছিল যদি মেয়েরা লাঠি, ঝাড়– নিয়ে ছাত্রলীগকে তাড়া করে তাহলে ছাত্রলীগ মেয়েদের উপর হামলা করবে না। করলে তো ভাল। বড় ইস্যু তৈরী হবে। ঠিক তাই হয়েছিল। ফলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ জাবি ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করল। বিপাকে পড়ল ভিসি আর প্রক্টর। তারা হয়ে গেল শেল্টারহীন।

২০১০ সালে আবার যখন শরীফ এনামুল কবির ভিসির আমলে ছাত্রলীগকে একই ভাবে দুই ভাগ করে এক ভাগকে ভিসির নিরাপত্তা বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করা হয় তখন ’৯৯ সালের কথাই মনে পড়ে। তবে একটু ভিন্ন তখন যারা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল তারা ছিল বাম। এখন যারা তাদের বিরোধিতা করছে তারা বাম হলেও উপাধি দেয়া হচ্ছে শিবির। যখন ছাত্রলীগ শিক্ষক সমাজের ব্যানার আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে বলার পরও যখন প্রক্টর বলে এরা সাধারণ ছাত্র। যখন প্রক্টরের সামনে ছাত্রলীগ অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করলেও তিনি বলে আমি দেখিনি। যখন সাংস্কৃতিক কর্মীদের মারার সময় প্রক্টর উপস্থিত না থাকলেও পরক্ষনই প্রক্টোরিয়াল বডির গাড়ী উপস্থিত হয়। যখন সাংস্কৃতিক কর্মীরাও ছাত্র পরিচয় ভুলে গিয়ে বলে শিবির সন্দেহে মেরেছে। তখন প্রক্টর কায়সার আহমদ আর বর্তমান প্রক্টরের মধ্যে পার্থক্য থাকে না। মনে হয় সেই কায়সার আহমেদ এই মাত্র বৈঠক করে ছাত্রলীগকে মারার অনুমতি দিয়ে গাড়ী রেডি করে রেখেছে। সাংবাদিকরা ছাত্রলীগ বিরোধী রিপোর্ট করলে বলে, সাংবাদিক সমিতিতে শিবির ঢুকেছে। অথচ ’৯৮ সালে তখনকার দৈনিক সংবাদের প্রতিনিধি প্রক্টরের ফোন থেকে পত্রিকা অফিসে প্রক্টরের বিরোদ্ধে রিপোর্ট করেছিল। তখন তাদেরকে কেন শিবির বলা হয়নি? অথচ তখন কিছুদিন পূর্বেও শিবির প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা করছিল। তখন কেন বলেনি যে ধর্ষন বিরোধী আন্দোলন শিবিরের আন্দোলন? শিবির নিষিদ্ধের প্রায় দুই দশক পর কেন এখন বাম সংগঠন সহ সাংস্কৃতিক জোটে শিবির খোঁজা হচ্ছে? যদিও তখন ধর্ষন বিরোধী আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তখনকার প্রক্টর বলেছিল এই আন্দোলন ভিসির সাজানো। যাতে তার দলকে ক্যাম্পাসে আনতে পারে এ জন্যই ভিসি এ আন্দোলন করাচ্ছেন। কিন্তু শিবির বলে তো আখ্যা দেয়নি!

’৯৬-২০০১ সাল আর ২০০৯ বর্তমান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের মধ্যে তুলনা করলে একই প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। তখনও শিক্ষকরাই ছাত্রলীগকে দুই ভাগ করে এক গ্রুপকে ক্যাম্পাস ছাড়া করেছিল। এখনও তাই। কিন্তু দু:খ জনক হল এখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমাতে বিরাট মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে প্রশাসন। যা আগের প্রশাসন করেনি। তবে সবকিছুই এখন জাতির কাছে স্পষ্ট। ’৯৯ এর আন্দোলন যেমনি সফল হয়েছিল। এখনও শত অপবাদ মাথায় নিয়ে জাহাঙ্গীরনগরের শিক্ষার্থীরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করেই যাবে। এটাই সবার প্রত্যাশা।
উপন্যাসটি সাহসী পাঠক তৈরীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সচেতন শিক্ষার্থীদের পড়া উচিত বইটি। এর মাধ্যমে জাহাঙ্গীরনগরের ইতিহাস জানা যাবে। বইটির পরতে পরতে ছড়িয়ে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃষ্ঠপোষকতার অদৃশ্য কারিগরদের নানা কাহিনী।