ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

 

জাপানে স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে অজস্র কোটি টাকার সম্পদ। অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। মানবিক বিপর্যয় ঘটেছে। এ বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার জন্য সরকার খুবই আন্তরিক। এগিয়ে এসেছে প্রতিবেশী দেশ সমূহ। প্রতিনিয়ত বৈদিশিক সাহায্য পাঠানো হচ্ছে।

লক্ষ্যণীয় ব্যাপার হচ্ছে, সেদেশে অবস্থানরত লোকদের উদ্ধার করার জন্য চীন, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশ সমূহের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এসব দেশ গুলো যোগাযোগের জন্য নিজ দেশ ও বিদেশী টিভি চ্যানেলগুলোতে বিজ্ঞাপন দিয়েছে। এখানে দেওয়া হয়েছে সরাসরি যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বরও। কারণ তারা বুঝতে পেরেছেন, জাপানে অবস্থানরত দূতাবাস গুলো যদি ঠিকমত সহযোগিতা করতে না পারে তবে দেশ থেকে দূতাবাসে লোকবল বৃদ্ধির পাশাপাশি অন্যান্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে লিবিয়ায় সংকটের কারণে বাংলাদেশের প্রায় ৯০ লাখ মানুষ বন্দী হয়ে আছে। তারা জানে না কিভাবে তারা দেশে ফিরবে? কি করবে, কোথায় যাবে? অথচ বাংলাদেশের সুদক্ষ(!) শ্রম মন্ত্রী নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছেন। বাংলাদেশ কি পারতো না এরকম ইতিবাচক একটি পদক্ষেপ নিতে? আমাদের জন শক্তিদের এ সংকট কোন অংশেই জাপানের প্রাকৃতিক দুর্যোগের চেয়ে কম নয়। প্রায় ১ কোটি লোকের বৈদিশিক রেমিটেন্স পাঠানো বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের দেশের অবস্থা কি হবে? সরকার কি একবার ভেবে দেখেছে কি হবে ভবিষ্যত পরিণতি? আমাদের আরো সুদক্ষ হওয়া দরকার। ভেবে চিন্তে কাজ করলে দেশের প্রকৃতই উন্নয়ন সম্ভব।