ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

৫.০ : এখন কী করবো?

“আমরা পড়ে গেছি, কিন্তু কাউকে উঠতে দেইনি”- এ ধরনের বালসুলভ আত্মতুষ্টির প্রাবল্য কিংবা আত্মসমালোচনার আকাল থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে। আমাদের সকলের উচিৎ হবে বঙ্গবন্ধুর চেতনা ও আদর্শে বিশ্বাসী ফোরামটিকে শক্তিশালী করা যেখানে প্রতিটি সিদ্ধান্ত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নেওয়া হবে যাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মালিকানা প্রশ্নবিদ্ধ না থাকে। যারা ব্যক্তিস্বার্থের খাতিরে জননেত্রী শেখ হাসিনা তথা আওয়ামীলীগ সরকারের ভাবমূর্তি নিয়ে খেলা করতে চায়, যারা অনুপ্রবেশকারী, বিভিন্ন সময়ে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত, আমরা তাদের নিয়ে দল ভারী করার পক্ষে নই। কথায় বলে, দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল অনেক ভালো। আমরা চাই অসাম্প্রদায়িক, গণতন্ত্রমনা, সৎ এবং মেধাবী শিক্ষকদের সম্মিলন। আমরা সংখ্যার চাইতে গুণগত পরিমাপে বেশি আগ্রহী।

 

ক. সর্বপ্রথম ডীন নির্বাচন (যার তফসিল আগে ঘোষিত ছিল) সম্পন্ন করা এবং সম্ভব হলে একই সঙ্গে সিন্ডিকেট নির্বাচন সম্পন্ন করা।

খ. সিনেটে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।

গ. প্যানেল নির্বাচনের জন্যে প্রস্তুতি গ্রহণ করা।

ঘ. প্রতিটি আবাসিক হলের ছাত্রদের সহাবস্থান নিশ্চিত করা। বিশেষত, অন্যায় ও অযৌক্তিকভাবে যেসকল ছাত্রলীগ কর্মীকে বাইরে থাকতে বাধ্য করা হয়েছে তাদেরকে “স্বাভাবিক ছাত্রত্ব” প্রদানসহ ক্যাম্পাসে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

ঙ. সাংস্কৃতিক জোট কর্মীদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

চ. ভর্তি ও পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল অনিয়মের তদন্ত শেষ করা, তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা এবং প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা ।

আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থিতিশীল পরিবেশ দেখতে চাই। মাননীয় উপাচার্য যদি উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো জরুরি ভিত্তিতে সম্পন্ন করতে পারেন, আমরা মনে করি তাঁর পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং তাঁর “স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়” প্রতিষ্ঠা করা কঠিন কোন কাজ নয়। আমরা আর সূর্যাস্তের সাক্ষী হতে চাই না।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ