ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

tareq masud

নিরাপদ সড়ক চাই বলে দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। সড়ক দুর্ঘটনায় তার স্ত্রীর মৃত্যুতে তিনি ভীষণ শোকাহত হয়েছিলেন। আর সেই শোককে শক্তিতে পরিণত করে তিনি গড়ে তুলেছিলেন এই আন্দোলন। বেশ কয়েক বছর ধরে তার এই স্লোগান ভাবিয়ে তুলেছে দেশের মানুষকে। কিন্তু আমাদের সড়ক তবু নিরাপদ হয়নি।

সম্প্রতিকালে বেশ কয়েকটি হৃদয় বিদারক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রাণহানি ঘটেছে বহু মানুষের। কিছু দিন আগেও চট্টগ্রামে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১ জন স্কুল ছাত্র নিহত হয়।
আর আজ বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্র পারিচালক তারেক মাসুদ, এটিএন বাংলার প্রধান সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী আশফাক মিশুক মুনীরসহ ৫ জন নিহত হন।

জানিনা আর কত মৃত্যু হলে আর কত রক্ত দিলে আমাদের সড়ক নিরাপদ হবে। এই দাবি এখন শুধু দেশবাসীর নয়, প্রবাসীরাও এখন আমাদের সঙ্গে গলা মিলিয়েছেন।

তারেক মাসুদসহ ৫ জনের মৃত্যুতে শুধু দেশের মানুষ নয় প্রবাসী গুণিজনেরা তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেছেন।

কানাডা প্রবাসী কবি ও সাংবাদিক সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল রেডটাইমস বিডি ডটকমকে জানান, দুর্ঘটনায় প্রয়াত চিত্র পরিচালক তারেক মাসুদ ও সাংবাদিক আশফাক মিশুক মুনীর দুজনেই আমার ঘনিষ্ট বন্ধু ছিলেন। দেশের বাইরে থাকলে দেশ প্রেমটা অনেক বেড়ে যায়। কাছের মানুষের কথা সবসময় মনে পড়ে।

এই মৃত্যু দেশে থাকলে আমাকে কতটা স্পর্শ করত জানিনা কিন্তু প্রবাসের এই কষ্টের দিনে এই সংবাদ আমাকে অসুস্থ করে দিয়েছে। আমার বাবার মৃত্যু সংবাদ পেলেও আমি এতটা আহত হতাম না। কারণ পরিণতি বয়সে মৃত্যু স্বাভাবিক। যাদের কাছ থেকে দেশ অনেক কিছু পেত, মানুষের অনেক উপকার হতো, তাদের এই অপরিণত বয়েসে দুর্ঘটনায় মৃত্যু কখনোই আমাদের কাম্য হতে পারে না।

প্রবাসী কবি শামীম আজাদ রেডটাইমস বিডি ডটকমকে বলেন, আর স্মৃতি কথা নয়। মৃত্যু নিয়ে কথা না বলে আজই কাউকে তার দায়িত্ব নিয়ে আসতে হবে। এবার আর কোন তদন্তের নামে আমরা বসে থাকব না। ইলিয়াস কাঞ্চন এতদিন যে ভাবে একা একা ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ বলে যাচ্ছেন তার সুপারিশগুলোর কী হয়েছে তা জানতে চাই?

***
তথ্য সূত্র: রেডটাইমস বিডি ডটকম