ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

চট্টগ্রাম হচ্ছে পাহাড়ঘেরা ও প্রাকৃতিক সৌর্ন্দযমন্ডিত একটি শহর। যা দেশি-বিদেশি অতিথিদের আকৃষ্ট করে থাকে। কিন্তু অবৈধ পাহাড়কাটা থেকে শুরু যত্রতত্র বিলর্বোড স্থাপন করে ক্রমাগতভাবে চট্টগ্রাম শহরের সৌর্ন্দয ভুলন্ঠিত করছে এক শ্রেণীর মুনাফালোভী মানুষ। যার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। দিন দিন মুনাফালোভীদের দ্বারা সমাজ ও পরিবেশ হচ্ছে ঝুঁকির্পূণ। ঐ বিলর্বোডের নীচে চাপা পড়ে মানুষ মরছে । সিএমপি কমিশনারের্ ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিলর্বোড উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলেও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। তবে সিএমপি কমিশনার সমাজকে দেখিয়ে দিয়েছে পুলিশ আইন শৃঙ্খলার পাশাপাশি সমাজ সংস্কারও করতে পারে। তাঁর এই উদ্যোগ বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছে।

অতীত সিটি মেয়রদের পৃষ্ঠপোষকতায় তাদের রাজনৈতিক কর্মীদের দ্বারা বিলর্বোড ব্যবসা সফলভাবে বিস্তৃতি লাভ করে। কিন্তু বর্তমান সিটি মেয়র সেবার মনোভাব নিয়ে বহু বাধা বিঘ্ন পেরিয়ে সফলভাবে বিলর্বোড উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। বিলর্বোড সরানোর ফলে চট্টগ্রামবাসী পাহাড় আর আকাশ দেখতে পাচ্ছে। সিটি মেয়রের কাছে কামনা উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখে এবং বিলর্বোড ব্যবসার লাইসেন্স যেন বাতিল করে। এখনও অনেক জায়গায় বিলর্বোড বিল্ডিংযের ছাদের উপর বিদ্যমান রয়েছে সেইসমস্ত ভবনের মালিকের বিরুদ্ধে যেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে যাতে ভবিষ্যতে তারা বিলর্বোড স্থাপনে নিরুৎসাহিত হয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি চট্টগ্রাম যেন তাহার হারানো গৌরব ফিরে পায় সেই শুভকামনা করি।